বাস্তবতার নিরিখে নির্বাচনপূর্ব সময় নির্ধারণ’

0
59
Print Friendly, PDF & Email

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. শাহনেওয়াজ বলেছেন, “বাস্তবতার নিরিখে নির্বাচনপূর্ব সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার দুপুরে শেরে বাংলা নগরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।

তিনি বলেন, “সংবিধানে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার কথা আছে। আগের সংবিধান অনুযায়ী, যারা নির্বাচন পরিচালনা করবেন তারা সরকারে ছিলেন না। কিন্তু এখন যারা নির্বাচন করবেন তারা সরকারে থাকবেন।”

যারা ৯০ দিনকে নির্বাচনপূর্ব সময় বলছেন তাদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “এক মাসের মধ্যে নির্বাচন করতে পারতাম। গেজেটও হয়ে যেত। কিন্তু বাকি যে দুইমাস সময় থাকতো তাকে আমরা নির্বাচনপূর্ব সময় বলতে পারতাম না। তাই আমরা ঠিক করেছি, নির্বাচনপূর্ব সময় গণনা হবে তফসিল ঘোষণার পর থেকে।”

বুধবার নারায়ণগঞ্জে জেলা নির্বাচন কমিশনে আগুনে প্রায় পাঁচশত ব্যালট বক্স পুড়ে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ব্যালট বক্স পুড়ে গেলে ইসির সমস্যা নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যালট বক্স আনা হয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, “দুর্বৃত্তদের অরাজকতার বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন দেখবে এইখানে আমাদের কিছু করার নেই।”

‘আচরণবিধি সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্য নেই’ সুজনের সম্পাদক ড.বদিউল আলমের এমন বক্তব্যের জবাবে শাহ নেওয়াজ বলেন, “আমরা আচরণবিধির খসড়া ওয়েব সাইটে দিয়েছি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরামর্শও দিতে বলেছি। যারা পরামর্শ না দিয়ে বাইরে কথা বলেন তাদের ব্যাপারে আমাদের কিছু বলার নেই।”

আচরণবিধিতে নতুন সংযোজনের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা কয়েকটি নতুন বিষয় যুক্ত করেছি। তার মধ্যে কেউ মনোনয়নপত্র জমা দানকালে কেনা ব্যক্তি বা দল বাধা দিতে পারবে না। বাধা দিলে দন্ডণীয় অপরাধ।”

“এছাড়া নির্বাচনপূর্ব সময়ে কোনো সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সেচ্ছাধীন সরকারি বা আধা-সরকারি বা স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের তহবিল হইতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কোনো প্রকার অনুদান ঘোষণা বা বরাদ্দ প্রদান বা অর্থ অবমুক্ত করতে পারবেন না” বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন