সুশীল সমাজের সমালোচনায় জয়

0
73
Print Friendly, PDF & Email

আমাদের বিরোধী দল ও সুশীল সমাজ আইনগত বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে, ভুল বুঝিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

বুধবার দুপুরে গণভবনে আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে বক্তৃতাকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।

বিরোধী দল প্রতিবাদের নামে সন্ত্রাস করছে অভিযোগ করে জয় আরো বলেন,  “যে ভয়ংকরভাবে মানুষকে আহত করা হয়েছে তা অকল্পনীয়। নিজের চোখে না দেখলে কল্পনা করা যায় না। এটা প্রতিবাদ নয় সন্ত্রাস, খুন। আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষার্থে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া উচিত।”

সজিব ওয়াজেদ জয় বলেন, “তারা (বিরোধী দল) ক্ষমতায় আসতেই এ মিথ্যাচার করছে। তারা যখনই কোনো আইনি বিষয়ে কথা বলে, বলে যে এটা অবৈধ বা অসাংবিধানিক। অথচ আইনি যেকোনো বিষয়গুলো পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। মিথ্যা তথ্য দিয়ে, ভুল বুঝিয়ে তারা জাতিকে বিভ্রান্ত করছে।”

জয় বলেন, “৭৫ এর পরে কোনো বৈধ ও আইনগত নির্বাচন হয়নি। শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের সময় ২০০১ সালে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে এক মুহুর্তের জন্যও অবৈধ ও অসাংবিধানিক সরকার আসতে পারে না। আওয়ামী লীগ কোনো দিন সংবিধান লংঘন করেনি। ক্যান্টনমেন্ট থেকে যে দলের সৃষ্টি তারাই সংবিধান লংঘন করেছে।

আমরা দেখেছি আমাদের বিরোধী দল যখনই ক্ষমতায় এসেছে নির্বাচনে কারচুপি করেছে। আওয়ামী লীগ কখনো নির্বাচনে কারচুপি করেনি বলেও দাবি করেন তিনি।

জয় অভিযোগ কওে বলেন, বিএনপি যতবার সংবিধান সংশোধন করেছে সব অবৈধ। আমরা সেদিনে বা সেদিকে যেতে চাই না। আমরা এমন সব পথ বন্ধ করে দিয়েছি।

যারা পেট্রল দিয়ে মানুষ পুড়ায়, যারা এর পরিকল্পনা করে ও অর্থের যোগান দেয় তাদের কঠোর শাস্তি দেয়া উচিত। তাদের নেতাদের গ্রেফতার করে চার্জ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জয় বলেন, বিএনপিই এসব নৈরাজ্য করাচ্ছে। বিএনপি এখন সন্ত্রাসী দল। এদের কঠোর শস্তি হওয়া উচিত। আমরা এটা করবো।

যাতে ভবিষ্যতে কোন সরকার সংবিধান লংঘন করতে না পারে ও নির্বাচনে কারচুপি না করতে পারে সেজন্য সকল আইজীবীদের মাঠে নেমে পড়ার আহ্বান জানিয়ে জয়  বলেন, মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্য প্রচারে আপনারা এখনই মাঠে নেমে পড়–ন। এটা আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের শেষ লড়াই। আমরা বিজয়ী হবই।

ব্যারিষ্টার ফজলে নূও তাপসের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদেও সদস্য এ্যাডভোকেট ইউছুফ হোসেন হুমায়ূন, সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু, আইনপ্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, মমতাজ উদ্দিন মেহেদি, ঢাকা বারের সভাপতি নজিবুল্লাহ হিরো প্রমুখ। 

শেয়ার করুন