নিঃসঙ্গ রিজভী

0
73
Print Friendly, PDF & Email

গ্রেপ্তার হওয়ার আশংকা নিজেও করছেন বিএনপির চেয়াপারসন, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেত্রী খালেদা জিয়া। কারাবরণ করতে রাজী আছেন তিনি। তবু নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি থেকে তিনি সরবেন না। গত শনিবার রাতে খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে পেশাজীবীদের প্রতিনিধিদল দেখা করতে গেলে খালেদা জিয়া প্রতিনিধি দলের কয়েক জনের কাছে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

প্রতিনিধি দলের পাঁচজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রিয় দেশকে বলেন, ‘খালেদা জিয়া মনে করছেন, তাকে ও বিএনপিকে চাপে ফেলে আওয়ামী লীগের নির্বাচন পদ্ধতিতে বিএনপিকে আনার চেষ্টা করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এর ধারাবাহিকতায় রাজধানীর গুলশানের বাসভবনে তাকে সরকার গৃহবন্দি করে রেখেছে। বিএনপির শীর্ষ পাঁচ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরো অন্তত ডজনখানেক নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

বিএনপি-সমর্থক শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও আইনজীবীদের প্রতিনিধিদল আলাদা আলাদা গত শনিবার রাতে খালেদা জিয়ার বাসভবনে যান। প্রতিনিধি দলের সদস্যদের মধ্য থেকে প্রিয় দেশ আজ রোববার দশজনের সঙ্গে কথা বলে।

তারা প্রিয় দেশকে জানান, ‘সরকারের কর্মকাণ্ডে খালেদা জিয়া ক্ষুব্দ। সরকার যতোই দমন, পীড়ন, নির্যাতন চালাক; দাবি আদায়ের লক্ষ্যে জনগণকে নিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন খালেদা জিয়া। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে যেতেও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানাচ্ছেন তিনি।’

উল্লেখ্য, শনিবার রাত নয়টার দিকে ‘ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ইউটিএবি) সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আ ফ ম ইউসুফ হায়দারের নেতৃত্বে শিক্ষকদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল, রাত ১১টার দিকে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) একটি প্রতিনিধিদল, এর কিছুক্ষণ পর জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, বিএফইউজের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, ডিইউজের একাংশের সভাপতি আবদুল হাই শিকদার ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খানের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের একটি প্রতিনিধিদল এবং এ জে মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে আইনজীবীদের একটি প্রতিনিধিদল খালেদা জিয়ার বাসভবনে প্রবেশ করেন।

শেয়ার করুন