‘শাহাদাতের নজরানার বদৌলতে জাতীয় জীবনের দুর্গতি ও চলমান সঙ্কট কেটে যাবে’ বলে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী।
তিনি বলেন, ‘সারাদেশে জেলা ও বিভাগীয় মহাসমাবেশের সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিন, হাজার হাজার মুসলমানের রক্ত, ত্যাগ, কুরবানী, মেহনত ও শাহাদাতের নজরানার বদৌলতে জাতীয় জীবনের দুর্গতি ও চলমান সঙ্কট কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ। নবীপ্রেমিক জনতার বিজয় সুনিশ্চিত। আল্লাহর সাহায্য সন্নিকট।’
রোববার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ আহমদ শফী এসব কথা বলেন।
সভাপতির ভাষণে হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী বলেন, ‘গ্রাম-গঞ্জ, শহর-নগর সর্বত্র জনগণকে ইসলামবিদ্বেষী চক্রের নানান কুকীর্তি সম্পর্কে সজাগ-সচেতন করতে জেলা ও বিভাগীয় সমাবেশ সর্বাত্মকভাবে সফল করতে হবে। আল্লাহ ও রাসূলের দুশমন নাস্তিক্যবাদী শক্তির তৎপরতা রুখে দাঁড়াতে আবারও ঈমানী জাগরণে গণজোয়ার সৃষ্টি করতে হবে।’
কওমি মাদরাসার বিষয়ে আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী বলেন, ‘কওমি মাদরাসা গতানুগতিক কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, উপমহাদেশের স্বাধীনতা হরণকারী ঔপনিবেশিক ইংরেজ গোষ্ঠীকে বিতাড়িত করার লক্ষ্যে পরিচালিত সর্বাত্মক স্বাধীনতা সংগ্রামের লড়াকু সৈনিক তৈরির উদ্দেশ্যে এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।’
কওমী মাদরাসা সনদের স্বীকৃতিকে অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘নিজেদের স্বকীয়তা ও স্বাধীন সত্তা নিয়ে কিয়ামত পর্যন্ত আমরা মাথা উঁচু করে টিকে থাকবে, সনদের স্বীকৃতির বিনিময়ে চিনির মোড়কে বিষপান করার কোনো কারণ নেই। আমরা সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও খবরদারি মেনে তথাকথিত কোনো স্বীকৃতি চাই না।’
সভায় ১৫ নভেম্বর শাপলা চত্বরের মহাসমাবেশ স্থগিতেরও সিন্ধান্ত নিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। ঢাকায় মহাসমাবেশের তারিখ পরবর্তী সভায় সিদ্ধান্তক্রমে ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়। তবে সভায় জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের মহাসমাবেশের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়।









