বিএনপির পাঁচ নেতা কারাগারে, শুনানি বৃহস্পতিবার

0
33
Print Friendly, PDF & Email

মতিঝিল থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় বিএনপির পাঁচ নেতা মওদুদ আহমদ, রফিকুল ইসলাম মিয়া, এম কে আনোয়ার, আবদুল আউয়াল মিন্টু ও শিমুল বিশ্বাসকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।তাঁদের রিমান্ডের বিষয়ে শুনানি হবে আগামী বৃহস্পতিবার।

আজ শনিবার বিকেলে মহানগর হাকিম জয়নব বেগম এ আদেশ দেন।

হরতালের ঘোষণা দেয়ার পর আটক এই পাঁচ নেতাকে নিয়ে শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে একটি প্রিজন ভ্যানে করে পুরান ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে নেয়া হয়।

এর আধা ঘণ্টা আগে তাদের মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয় থেকে বের করা হয়। শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তারের পর থেকে তারা সেখানেই ছিলেন।

বিএনপি নেতাদের হাজির করা নিয়ে আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনা ছিল। বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা থেমে থেমে সরকাবিরোধী স্লোগান দিচ্ছিলেন। সকালে আদালত পাড়ায় তিনটি হাতবোমার বিস্ফোরণও ঘটে।

বিএনপি নেতাদের পক্ষে আদালতে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল- হক, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলী, বিএনপির আইনজীবীদের নেতা সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকার, মো. মহসিন মিয়া।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি আবদুল্লাহ আবু, ঢাকা জেলা জজ আদালতের পিপি খন্দকার আব্দুল মান্নান।

পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের দুটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিএনপি নেতাদের প্রত্যেককে ২০ দিনের জন্য হেফাজতে চেয়ে বিচারকের কাছে আবেদন করা হয়।

কোর্ট হাজত থেকে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে বিএনপি নেতাদের এজলাসে নেয়া হয়। তারা এজলাসে আইনজীবীদের চেয়ারে বসেন।

আটকের ১২ ঘণ্টার বেশি সময় পর দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বিএনপি নেতাদের দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর কথা জানান। আটকের পর এই বিষয়ে কিছুই বলছিল না পুলিশ।

এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, হরতাল করে মানুষকে খুন ও খুনের পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির এসব নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, যারা হরতাল ডেকে মানুষ খুন করবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন