লঞ্চ যাত্রীকে অচেতনের পর ধর্ষণ করার অভিযোগ

0
119
Print Friendly, PDF & Email

এক মহিলা যাত্রীকে চা খাইয়ে অচেতনের পর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে লঞ্চের কেবিন বয়ের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে ঢাকা-লালমোহন রুটের এমভি মাহিন রিফাত-১ লঞ্চে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

লঞ্চ যাত্রীরা জানায়, বুধবার বিকাল ৩ টায় লালমোহন থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশে এমভি মাহিন রিফাত লঞ্চে ওঠে কমলা ( ছদ্ধনাম) নামে এক মহিলা যাত্রি। তিনি শিশু সন্তানকে নিয়ে লঞ্চের দ্বিতীয় তলার ১৫ নম্বর কেবিনে সিট নেয়। রাতে কমলা (ছদ্ধনাম) কেবিন বয় মনিরের কাছে চা চান।

ওই যাত্রির চায়ের সঙ্গে নেশাজাতীয় ঔষধ মিশিয়ে মনির চা সরবরাহ করে। চা পান করে মহিলা যাত্রী ও তার শিশু সন্তান অচেতন হয়ে পড়লে গভীর রাতে মহিলা যাত্রীকে শ্লীলতাহানি করে মনির।

বৃহস্পতিবার সকালে লঞ্চ ঘাটে আসলেও কমলা ও তার শিশু সন্তান অসুস্থ থাকায় বিষয়টি অন্য যাত্রীদের নজরে আসে। পরে মহিলার কাছ থেকে ঘটনা প্রকাশ পেলে যাত্রীরা মনিরকে গণধোলাই দেয়।

যাত্রীরা জানান, লালমোহন উপজেলার বদরপুর নামে একটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন নামে এক যাত্রী ওই লঞ্চে ছিলেন। যাত্রীরা বিষয়টি তার নজরে আনলে তিনি মনিরকে সালিসের মারপিট করে ১০ হাজার টাকা জড়িমানা করেন।

পরে অসুস্থ অবস্থায় ওই মহিলা যাত্রী ও তার শিশু সন্তানকে উদ্ধার করে সুমনা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। লঞ্চ মাস্টার আলমগীর বলেন, যাত্রীকে শ্লীলতাহানীর কোনো ঘটনা ঘটেনি।

কেবিন বয় মনির রাতে অভিযোগকারী মহিলা যাত্রীর কেবিনে চা দিলে ওই চা পান করে যাত্রী ও তার শিশু সন্তান অচেতন হয়ে পড়ে। এ ঘটনায় লঞ্চ থেকে মনিরকে চাকুরীচ্যুত করা হয়েছে।

এর আগে গিয়াসউদ্দিন নামে এক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বিষয়টি সালিস করে দেন। তিনি সালিসে মনিরকে মারপিট করে  ১০ হাজার টাকা জরিমান করেছে মহিলা যাত্রী ও তার সন্তানের চিকিৎসার জন্য।

শেয়ার করুন