আলো-ছায়ার ল্যাম্পশেড

0
78
Print Friendly, PDF & Email

আলো-ছায়ার মিশ্রণে এক অপূর্ব পরিবেশ সৃষ্টি করে ল্যাম্পশেড। যা মনকে বিশেষায়িত করে। আগেকার জমিদাররা বাতির ওপরে নানা রকম কাঁচের ঢাকনা ব্যবহার করতেন। এতে তাদের আভিজাত্য ভাবটি ফুটে উঠত। বর্তমানে ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য আলোর ঢাকনা বা ল্যাম্পশেড ব্যবহার করা হয়। এতে যেমন সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়, তেমনি আভিজাত্যের দিকটিও থাকে।

এখন নানা ধরনের ল্যাম্পশেড ব্যবহার হয়ে থাকে। স্ট্যান্ড ল্যাম্পশেড, ঝুলন্ত ল্যাম্পশেড বা টেবিল ল্যাম্পশেড। স্ট্যান্ড ল্যাম্পশেডগুলো আকারে একটু বড় হয়। এতে জায়গার প্রয়োজন হয় বেশি। ঘরের জায়গা কম থাকলে ঝুলন্ত ল্যাম্পশেড বা টেবিল ল্যাম্পশেড ব্যবহার করা যায়। শোবার ঘরে টেবিল ল্যাম্পশেড রাখতে পারেন। ড্রইং রুমে ঝুলন্ত বা স্ট্যান্ড ল্যাম্পশেড মানানসই। ঘর সাজানোর উপকরণ হিসেবে টেবিল ল্যাম্পের জনপ্রিয়তা সমসময়ই আছে।

তবে ঠিকঠাক যত্ন না নিলে কমে যেতে পারে ল্যাম্পশেডের সৌন্দর্য। ল্যাম্পশেডের যত্নে বিষয়ে বেশ কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো-

# সম্ভব হলে দিনে একবার ল্যাম্পশেডগুলো মুছতে হবে। তাহলে এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে পানি দিয়ে ধোয়ার ঝামেলার মধ্যে আর পড়তে হবে না। তবে ল্যাম্পশেড পরিষ্কারের সময় কখনোই ভেজা কাপড় ব্যবহার না করাই ভালো।

# পরিষ্কার করার সময় শেডটা আলতোভাবে ধরে তারপর পরিষ্কার করুন। না হলে মোছার সময় শেডটি তার অবস্থান থেকে সরে যেতে পারে।

# সিল্কের চেয়ে সুতি কাপড়ের শেড তাড়াতাড়ি ময়লা হয়ে যায়। ল্যাম্পশেড ধোয়ার সময় টুথব্রাশ ও গুঁড়া সাবান ব্যবহার করুন। প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে শেডের ধুলা ঝেড়ে নিন। গুঁড়া সাবান পানিতে গুলিয়ে নিন। টুথব্রাশের মাধ্যমে ওপর থেকে নিচে, নিচে থেকে ওপরে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ধোয়ার পর বাতাসে শুকান। রোদের মধ্যে শুকালে শেডটির কাপড় আঁটোসাঁটো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পুঁতি, কাগজ বা অন্য কোনো উপকরণ হলে ব্রাশ দিয়ে ধীরে ধীরে পরিষ্কার করুন। খেয়াল রাখতে হবে যেই ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করছেন, সেটিতে যেন ময়লা না থাকে। শেডটির ভেতরের দিকটিও পরিষ্কার করতে হবে। না হলে সঠিকভাবে আলো পাওয়া যাবে না। প্রয়োজনে বাল্ব অথবা টেবিল ল্যাম্পের বৈদ্যুতিক তারটি সকেট থেকে খুলে নেবেন।

শেয়ার করুন