আদালতে বিএনপি নেতারা ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

0
62
Print Friendly, PDF & Email

মতিঝিল থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় আসামী হিসেবে গ্রেফতার দেখিয়ে বিএনপির পাঁচ নেতাকে আজ দুপুরে আদালতে হাজির করা হয়েছে। এসব মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তাদেরকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদনও জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল শুক্রবার রাতে সোনারগাঁও হোটেলের সামনে থেকে বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির তিন সদস্য মওদুদ আহমদ, রফিকুল ইসলাম মিয়া ও এম কে আনোয়ারকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসভবন থেকে বের হওয়ার পর রাত একটা ১০ মিনিটে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁর উপদেষ্টা আবদুল আউয়াল মিন্টু ও বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাসকে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮-দলীয় জোট এ সপ্তাহে টানা ৭২ ঘণ্টার হরতালের ডাক দেওয়ার চার ঘণ্টার মধ্যেই এ ধরপাকড় শুরু হয়।

এ ছাড়া গত রাতেই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের বাসায় পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু তাঁরা বাসায় ছিলেন না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য জমিরউদ্দিন সরকার ও যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেনের বাসা ঘেরাও করে রাখে পুলিশ। এর আগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেও আটকের চেষ্টা করা হয় বলে জানা গেছে।

রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কার্যালয় ও বাসার আশপাশে এবং নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পুলিশের এমন আচরণকে অগণতান্ত্রিক বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি।

এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, হরতাল করে মানুষকে খুন ও খুনের পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির এসব নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, যারা হরতাল ডেকে মানুষ খুন করবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে এবং তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করে ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন