ফোনালাপ প্রকাশে জড়িতদের শাস্তি চেয়ে রিট

0
56
Print Friendly, PDF & Email

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ফোনালাপ প্রকাশে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তি চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। রিটে দুই নেত্রীর ফোনালাপ মিডিয়ায় প্রকাশ করা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে। একই সাথে দুই নেত্রীর ফোনালাপের বিষয়সমূহ মিডিয়ায় প্রচার বন্ধের আদেশও চাওয়া হয়েছে।

শনিবার সুপ্রিমকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আইনজীবী আব্দুল্লা আল বাকীর পক্ষে রিটটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মো: ফারুক হোসেন। রিট নম্বর ১০৯৯০/১৩

রিটে বিবাদী করা হয়েছে তথ্য, স্বারাষ্ট্র, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, বেসরকারি টেলিভিশন ওনার্স এসোসিয়েশন(অ্যাট), জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি, সেক্রেটারি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে)র সভাপতি, সেক্রেটারি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)র সভাপতি, সেক্রেটারি ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)এর সভাপতি ও সেক্রেটারিকে।

রিট আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ৪৩ (খ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষা নাগরিকের মৌলিক অধিকার। বিবাদীরা সংবিধানের ৪৩(খ) অনুচ্ছেদ ও তথ্য প্রযুক্তি আইন লংঘন করে দুই নেত্রীর ফোনালাপ প্রচার করায় ফৌজদারী অপরাধ করেছে।

এ প্রসঙ্গে আইনজীবী মো: ওমর ফারুক বলেন, দুই নেত্রীর ফোনালাপ প্রসঙ্গে যে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে তা একটি জনস্বার্থে রিট মামলা। জনগনের কথা চিন্তা করে এ মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, দুই নেত্রীর ফোনালাপ মিডিয়ায় প্রকাশ হওয়ায় দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা খুবই কম। যার কারণে সামনের দিনগুলোতে রাজনৈতিক অবস্থান আরো ভয়াবহ হতে পারে। এবং এতে দেশের অসংখ্য মানুষের প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালে রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে প্রায় ২৬৯ জন লোকের প্রাণ গেছে। সংলাপ হলে দেশের মানুষের জন্য মঙ্গল হতো। দেশের রাজনৈতিক অবস্থার পরিবেশ ভালো হতো। কিন্তু দুই নেত্রীর ফোনালাপ মিডিয়ায় প্রকাশ করায় দুই নেত্রীর সংলাপে বসার সম্ভাবনা কমে এসেছে। তাই ফোনালাপ প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেছি।

শেয়ার করুন