মেয়রের আশ্বাসে চসিক ভবন ঘেরাও প্রত্যাহার

0
91
Print Friendly, PDF & Email

এক সপ্তাহের মধ্যে চাকরি স্থায়ীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ঘেরাও কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে আন্দোলনরত শ্রমিক কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে করপোরেশন ভবন ঘেরাও করে কয়েক হাজার শ্রমিক কর্মচারী। “চসিক যৌথ সংগ্রাম পরিষদের” ব্যানারে এ বিক্ষোভ সমাবেশ ও ঘেরাও কর্মসূচির এক পর্যায়ে করপোরেশনের মুল ফটকে তালা লাগিয়ে দেয় শ্রমিকরা।

বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম মনজুর আলম চাকরি স্থায়ীকরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিলে শ্রমিক কর্মচারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে কাজে ফিরে যায়। এর আগে তিন শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সাথে মেয়র মনজুর আলম ও কাউন্সিলররা বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে মেয়র মনজুর আলম করপোরেশন ভবনের সামনে শ্রমিক কর্মচারীদের সমাবেশে এসে বলেন, “আমার নির্বাচনী ওয়াদা ছিল শ্রমিক কর্মচারীদের স্বার্থ সংরক্ষনে ব্যবস্থা নেওয়ার, সেই অনুযায়ী কাজ এগিয়ে চলছে। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে চাকরি স্থায়ীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কার্যক্রম শুরু করবে।”

মেয়র বলেন, “১৯৮৮ সালের মিউনিসিপ্যালিটি করপোরেশনের জনবল কাঠামোতে চলছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, আমরা দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন জনবল কাঠামো অনুমোদনের উদ্যোগ গ্রহন করেছি।”

“আমাদের এই উদ্যোগ ফলপ্রসূ হতে চলেছে, ১৩শ শূন্য পদে নিয়োগের অনুমোদন শিগগিরই চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এই অনুমোদন পাওয়ার পর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে এবং এই নিয়োগে বর্তমানে কর্মরতদের মধ্য থেকে যাদের বয়স আছে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে,”উল্লেখ করেন তিনি।

মেয়র আরো বলেন, “আপনারা কাজে ফিরে যান। দাবি আদায়ের জন্য এসেছেন আমরা এক মাসের মধ্যে কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছি। আপনাদের আন্দোলনের কারনে যাতে নগরবাসীর অসুবিধা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন।”

চসিকে আড়াই হাজার সেবকসহ প্রায় সাড়ে সাতহাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে। এরমধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন বিভাগের প্রায় চার হাজার শ্রমিক কর্মচারী আছে অস্থায়ী ভিত্তিতে

শেয়ার করুন