ইজাহারপুত্র হারুন সহযোগীসহ গ্রেপ্তার

0
49
Print Friendly, PDF & Email

চট্টগ্রামের লালখান বাজারে জমিয়তুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদরাসার ছাত্রবাসে বিস্ফোরণের ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের আমির মুফতি ইজাহারুল ইসলামের ছেলে হারুন বিন ইজাহারকে এক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে হাটহাজারীর ইছাপুর গ্রামে জানালী চৌধুরীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (পাঁচলাইচ) আব্দুর রউফের নেতৃত্বে ৪০ সদস্যের একটি দল তাদের আটক করে।

তবে তার সহযোগীর পরিচয় পাওয়া যায় নি। তার বাড়ি বাশখালী বলে জানা গেছে।

হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী গ্রেপ্তারের কথা স্বীকার করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে।

গত সোমবার বেলা ১১টার দিকে খুলশী থানার লালখান বাজারস্থ পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জমিয়তুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদরাসায় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পরপরই চতুর্থ তলার মাদরাসার কিতাব রুমে আগুন ধরে যায়। এতে দরজা জানালার থাই গ্লাস ভেঙে গেছে। রুমের চেয়ার টেবিলসহ আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।

এ ঘটনায় ৯ ছাত্র আহত হন। যাদের একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাদের খবর দিলে তারা মাদরাসায় ছুটে যায়। মাদরাসায় বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

তবে ঘটনার পর মাদরাসার পরিচালক মুফতি হারুন ইজহার দাবি করেন,  ‘মাদরাসার একটি ছাত্রাবাসে আইপিএস সংযোগ দেয়ার সময় মেশিন বিস্ফোরিত হয়েছে।’

সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে হেফাজত ইসলামীর নায়েবে আমির মুফতি ইজহারুল ইসলামের শয়নকক্ষ থেকে ১৮ বোতল পিকরিক এক্সপ্লোসিভ অ্যাসিড উদ্ধার করে পুলিশ। তখন ওই কক্ষে মুফতি ইজহার ছিলেন না। এসময় অভিযান চালিয়ে ৩ শিক্ষক, এক কর্মকর্তা ও এক ছাত্রকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার নগরীর খুলশী থানার এসআই গোলাম নেওয়াজ বাদী হয়ে ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী ও তার ছেলে মুফতি হারুন বিন ইজহার চৌধুরীকে আসামি করে দুটি মামলা দায়ের করেন।

এরপর তাদের গ্রেপ্তারে সাড়াশি অভিযান শুরু করে পুলিশ।

শেয়ার করুন