জয়কে যে তিনটি অভ্যাস বদলাতে বলেছিলেন ওয়াজেদ মিয়া

0
47
Print Friendly, PDF & Email

সজীব ওয়াজেদ জয় এখন সক্রিয় রাজনীতিতে। কখনও মতবিনিময় করছেন নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে, কখনও ছুটে যাচ্ছেন তৃণমূলে। সবচেয়ে বেশি সরব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। ৯ বছর আগেও একবার সস্ত্রীক বাংলাদেশে আসার পর তার রাজনীতিতে যোগ দেয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছিল বিস্তর। সেসময় তারেক রহমানের শুভেচ্ছা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। জয়ের পিতা প্রখ্যাত পরমানু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া আজ প্রয়াত। ২০০৪ সালের ২৪শে ডিসেম্বর মানবজমিনে প্রকাশিত এক সাক্ষাতকারে তিনি মূল্যায়ন করেছিলেন নিজ পুত্রের।
সেই সাক্ষাতকারে তিনি বলেছিলেন, জয় শুরুতেই একটি ভুল করে বসলো। বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব তারেক রহমানের পাঠানো শুভেচ্ছা বার্তা গ্রহণ করা তার উচিত ছিল। এতে তার ঔদার্য প্রকাশ পেতো। তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা যারা ফেরত পাঠিয়েছেন তারা একটি ভুল করেছেন। জয় প্রথম সস্ত্রীক দেশে এসেছেন। তাকে যে কেউ শুভেচ্ছা জানাতে পারেন। খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনার মুখ দেখাদেখি বন্ধ। তারেক আর জয়ের ক্ষেত্রে এটা হওয়া উচিত নয়। তাদের দুই জনের তো কোন ব্যক্তিগত বা রাজনীতিক বিরোধ নেই। হওয়ার সম্ভাবনাও নেই। তারেক রহমান সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত আর জয় এখনও রাজনীতিতে নামেনি। রংপুরে জয়ের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, এলাকার বউ হিসেবে হাসিনা তার ইমেজ গড়ে তুলতে না পারলেও জয় তা পারবে। জয়কে মায়ের ভাল গুনগুলো- যেমন যে কাউকে সহজেই আপন করে নেয়া, সবাইকে কনভিন্স করার ক্ষমতা গ্রহণ করতে হবে। জয়ের হঠাৎ হঠাৎ রেগে কথা বলা, অস্থির প্রবণতা এবং অতি আত্মবিশ্বাস বাদ দিতে হবে। তাহলে জয় অবশ্যই সাফল্য পাবে। তিনি বলেছিলেন, মুসলীম রীতিতিতেই জয়-ক্রিস্টিনের বিয়ে হয়েছিল। জয়ের বিদেশিনী বিয়েকে সকলেরই স্বাভাবিকভাবে নেয়া উচিত। এটা অন্য কিছু নয়। আর ক্রিস্টিন মেয়ে হিসেবে অসাধারণ। সে কখনও রাজনীতিতে আসবে না। পেছন থেকে জয়কে সাহায্য করবে। তারা এদেশে স্থায়ী বসবাস শুরু করলে ক্রিস্টিন আইন পেশায় যোগ দিবে।-মানবজমিন

শেয়ার করুন