পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত লালু-সহ ৪৫

0
55
Print Friendly, PDF & Email

 বিহারের পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত লালুপ্রসাদ যাদব-সহ আরও ৪৪ জনকে আজ দোষী সাব্যস্ত করল সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত। রাঁচির ওই বিশেষ আদালতে এই রায় ঘোষণা করলেন বিচারক প্রভাসকুমার সিংহ। তবে এই মামলার সাজা আজ ঘোষণা করা হয়নি।
 
আগামী ৩ অক্টোবর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সাজা ঘোষণা করবে আদালত। কোটি কোটি টাকার পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির এই ‘চাইবাসা ট্রেজারি’ মামলার রায় শুনতে গতকাল দুপুরেই পটনা থেকে রাঁচি পৌঁছেছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব।
 
আর সেই সাজার উপরেই নির্ভর করছে আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদের সাংসদ-ভাগ্য। এই মামলায় বিহারের আরও এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগন্নাথ মিশ্র অভিযুক্ত। তারও সাজা ঘোষণা হবে আগামী ৩ তারিখ।
 
রায় ঘোষণার পর এই মামলার সিবিআই আইনজীবী অরবিন্দকুমার সিংহ জানিয়েছেন, আদালত ৪৫ জনকেই দোষী সাব্যস্ত করেছে। এদের মধ্যে ৭ জনের ৩ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারে। এবং তারা জামিনও পেতে পারেন এই আদালত থেকে।
 
সে ক্ষেত্রে আগামী ১ মাসের মধ্যে তাদের উচ্চতর আদালতে এই রায়ের প্রেক্ষিতে আপিল করতে হবে। বাকি ৩৮ জনের ৩ থেকে ৭ বছরের সাজা হওয়ার সম্ভাবনা। রায় ঘোষণার পর লালুপ্রসাদ যাদব-সহ ওই ৩৮ জনকে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে।
 
রায় ঘোষণার পর লালু-পুত্র তেজস্বী যাদব সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের বলেছেন, তারা এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে আপিল জানাবেন। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, “মানুষের আদালতে যাব আমরা।”
পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির ১৭ বছর:
 
• ১৯৯৬ সালের জানুয়ারিতে চাইবাসা ট্রেজারি থেকে বেআইনিভাবে ৩৭ কোটি ৭০ লাখ রূপি তুলে নেয়ার অভিযোগে লালু-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুলিশে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল।
 
• ১৯৯৭ সালের ২০ জুলাই লালু প্রসাদকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। জেলে যান মুখ্যমন্ত্রী লালু, তার স্থলাভিষিক্ত হন স্ত্রী রাবড়ী দেবী। পরে জামিন পেয়েছিলেন লালু।
 
• পরে পটনা হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত শুরু করে।
 
• ২০০১ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাঁচিতে বিশেষ সিবিআই আদালতে ওই মামলা স্থানান্তরিত করা হয়।

শেয়ার করুন