ই-সেবা জীবনমান উন্নয়নে স‍াহায্য করবে

0
50
Print Friendly, PDF & Email

সরকারি সেবার মান উন্নয়ন এবং সেবা প্রাপ্তি আরো সহজ করতে ই-সেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

বুধবার দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের মিডিয়া বাজার মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্প এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

তিনি বলেন, সে লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকার, ইউএনডিপি ও ইউএসএইডের সমন্বয়ে সাতটি প্রতিষ্ঠানকে সার্ভিস ইনোভেশন ফান্ড দেওয়া হলো। এই উদ্যোগ কেবল সরকারি সেবার মান বৃদ্ধিতেই নয়, নতুন উদ্ভাবক তৈরি এবং নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করবে বলে আমরা আশা করি। একইসঙ্গে জাতি হিসেবেও আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাবে অনেক দূরে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে নিযু্ক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান ডাব্লিউ মজীনা বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে উদ্যোগ সরকার হাতে নিয়েছে তা দেশকে এক সোনালি ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনডিপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টর পলিন ট্যামেসিস বলেন, ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ই-সেবায় যে অগ্রগতি এনেছে তা সত্যিই বিস্ময়কর। দেশের মানুষ এখন মোবাইল ব্যাংকিং করছে, মোবাইলের মাধ্যমে ইনস্যুরেন্স ব্যবহার করছে। এই ফান্ডপ্রাপ্ত উদ্ভাবক দল দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
 
এসময় ‘অনলাইনে সেবা সম্প্রসারণ’ এর জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরকে ১৫ লাখ, ‘অনলাইন সার সুপারিশে অটোমেটেড তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও তথ্য হালনাগাদ’ এর জন্য সয়েল রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউটকে ৬.৮৭ লাখ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সড়ক বিভাগের ‘মোবাইল সেবা সম্বলিত বহুমাত্রিক পরিবহন পোর্টাল’ এর জন্য মন্ত্রণালয়কে ১৬ লাখ, জীবন বীমা করপোরেশনের ‘মোবাইল নির্ভর পেমেন্ট সার্ভিস’ এর জন্য জীবন বীমা করপোরেশনকে (ত2জেবিসি) ১০ লাখ, ‘মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল টকিং বুক’ এর জন্য ইয়াং পাওয়ার ইন সোশাল অ্যাকশনকে (ওয়াইপিএসএ) ২০.০৬ লাখ, মৎস ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ‘মোবাইল ভিত্তিক সেবা প্রদান’ এর জন্য মৎস ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে ১৮.৫ লাখ এবং ‘বাংলা অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিকগনাইজার (ওসিআর)’ এর জন্য ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকে ২৩ লাখ টাকার চেক প্রদান করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অর্থসচিব ফজলে কবির। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর এবং জেলা পর্যায়ের ইনোভেশন অফিসার, উন্নয়ন সহযোগী এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি এবং সহজলভ্য করতে ২০০৮ সালে এটুআই প্রকল্পের পক্ষ থেকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়ন যোগ্য ‘কুইক-উইন’ উদ্যোগ গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি এবং আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের জুন মাসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে উদ্ভাবনী প্রস্তাবনা আহ্বান করা হয়।

শেয়ার করুন