সিরিয়ায় সেক্স জিহাদ অন্তঃসত্ত্বা হয়ে ফিরছেন তিউনিশিয়ার অনেক যুবতী

0
80
Print Friendly, PDF & Email

তিউনিশিয়ার অনেক যুবতী জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ ব্যবহার করছেন সিরিয়ার লড়াইয়ে। সিরিয়ার বিদ্রোহীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে তারা নিজেদের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ বিলিয়ে দিচ্ছেন। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তারা চলে যাচ্ছেন সিরিয়ায়। সেখানে বিদ্রোহীদের মনোরঞ্জনে তারা শয্যাসঙ্গী হচ্ছেন। এর নাম দিয়েছেন তারা ‘সেক্সুয়াল জিহাদ’। এরপর তারা যখন দেশে ফিরে যাচ্ছেন তখন তাদের গর্ভে নিয়ে যাচ্ছেন সন্তান।

 অন্তঃসত্ত্বা এসব নারী বিদ্রোহীদের সন্তান পেটে ধারণ করে আনন্দ পান। তিউনিশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোতফি বিন জেদ্দো বলেছেন, এভাবে তিউনিশিয়ার অনেক যুবতী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে ফিরছেন। তারা সিরিয়ায় সেক্স জিহাদ করে দেশে ফিরছেন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে। ন্যাশনাল কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলিতে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, এসব যুবতী ২০, ৩০ বা ১০০ বিদ্রোহীর সঙ্গে সেক্স জিহাদে অংশ নিচ্ছেন। এক্ষেত্রে আমরা কিছু করতে পারছি না। আমাদেরকে অলসের মতো তা দেখতে হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব নারী সিরিয়ায় গিয়ে বিদ্রোহীদের সঙ্গে শরীর বিনিময়কে পবিত্র যুদ্ধ বলে মনে করেন। তবে ঠিক কতগুলো নারী এভাবে সিরিয়ায় গিয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে ফিরেছেন তা তিনি বলতে পারেন নি।

এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিজনেস ইনসাইডার। এতে আরও বলা হয়েছে, অনেকেই মনে করেন জিহাদ আল নিকাহ হলো পবিত্র এক যুদ্ধ। এ যুদ্ধে নারীরা পবিত্র উদ্দেশে একাধিক মানুষের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেদ্দো আরও বলেছেন, সিরিয়ায় তিউনিশিয়ার নারীদের যাওয়া-আসা কমিয়ে আনার চেষ্টা করছেন তারা। ওদিকে এ বছরের শুরুর দিকে তিউনিশিয়ার সাবেক এক মুফতি সতর্কতা উচ্চারণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বিদ্রোহীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ার উদ্দেশে যেসব তিউনিশিয়ান নারী সিরিয়া যাচ্ছেন তারা বড় ভুল করছেন। এমন ১৩ নারী সম্পর্কে তারা জানতে পেরেছেন।

এ চর্চাকে তিনি পতিতাবৃত্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, সিরিয়ায় ১৩ যুবতী সেক্স জিহাদে অংশ নিচ্ছেন। এটা কি? একে বলা হয়, পতিতাবৃত্তি। এটা শিক্ষার নৈতিক অবক্ষয়।

শেয়ার করুন