শাবনূরের বোধোদয়!

0
63
Print Friendly, PDF & Email

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের একসময়ের দাপুটে অভিনেত্রী শাবনূর। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এখন অনেকটাই ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছেন তিনি। অবশ্য দীর্ঘদিন পর নিজের সিদ্ধান্তে কিছুটা পরিবর্তন এনেছেন তিনি। তাঁর উপলব্ধি, দর্শকদের কাছাকাছি আসা উচিত। আর এ জন্যই আজ শনিবার দর্শকদের সঙ্গে প্রেক্ষাগৃহে বসে ‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’ ছবিটি দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শাবনূর।
গতকাল শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে শাবনূর অভিনীত ‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’ ছবিটি। তিনি ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের সঙ্গে বসে দেখার ইচ্ছা পোষণ করেছেন বলেই জানিয়েছেন এর পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।
এ প্রসঙ্গে মানিক বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরে আমি নিজে অসুস্থ ছিলাম। তাই ছবির প্রচারণার কাজটি অনেক আগে থেকেই শুরু করে দিয়েছিলাম। এখন কিছুটা সুস্থ। শাবনূরের সঙ্গে ছবি নিয়ে আমার কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, মাকে নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে “কিছু আশা কিছু ভালোবাসা” ছবিটি দেখবেন। এতে দর্শকেরাও বেশ আগ্রহী হবেন ছবিটি দেখার ব্যাপারে।’
‘কিছু আশা কিছু ভালোবাসা’ ঢাকাসহ সারা দেশের ৫০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। ছবিটির প্রধান তিনটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন মৌসুমী, শাবনূর ও ফেরদৌস। ছয় বছর বিরতির পর জনপ্রিয় এই তিন তারকা একসঙ্গে অভিনয় করলেন। বেশ কয়েক বছর পর জনপ্রিয় এই তারকাদের ছবি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ায় দর্শকদের কাছে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
শাবনূরের সর্বশেষ ছবি ‘শিরি-ফরহাদ’ মুক্তি পেয়েছিল গত মার্চে। গাজী মাহবুব পরিচালিত ছবিটিতে শাবনূরের বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ।
নন্দিত নির্মাতা প্রয়াত এহতেশামের মাধ্যমেই চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে শাবনূরের। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়েছেন একসময়ের ব্যস্ত এই তারকা। কিন্তু কয়েক বছর ধরেই চলচ্চিত্রে কিছুটা অনিয়মিত তিনি।
কয়েক বছর ধরেই শাবনূর বছরের ছয় মাস বাংলাদেশ তো বাকি ছয় মাস অস্ট্রেলিয়ায় কাটাচ্ছেন। কখন যে তিনি বাংলাদেশ ছাড়েন কিংবা অস্ট্রেলিয়া থেকে বাংলাদেশে আসেন, তা একমাত্র শাবনূরের পরিবারের লোকজন ছাড়া কেউই জানতে পারেন না। আর আসা-যাওয়ার মাঝে যে সময়টা পান, তখন পছন্দের নির্মাতাদের ভালো গল্পের ছবিতে অভিনয় করেন। দেশে থাকলে বেশির ভাগ সময় ইস্কাটনের নিজ বাসাতেই কাটিয়ে দেন শাবনূর।
শাবনূরের এমন আসা-যাওয়ার মাঝে তাঁর সঙ্গে দেখা-সাক্ষাত্ হওয়াটা একরকম আশ্চর্যজনক ঘটনার মতোই। খুব একটা প্রয়োজন না হলে মিডিয়ার সঙ্গেও ইদানীং তিনি যোগাযোগ রাখেন না। অবশ্য শুটিং ইউনিট কিংবা কোনো অনুষ্ঠানে হঠাত্ দেখা হলে আবার হাসিমুখে কুশল বিনিময় করতেও ভোলেন না।

শেয়ার করুন