সিরিয়া অভিযানের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ প্রধানের হুঁশিয়ারি

0
74
Print Friendly, PDF & Email

সিরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক হামলার যে পরিকল্পনা চলছে, তার কড়া সমালোচনা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন।

তিনি পরিবর্তে সিরিয়ায় আরও বেশি মানবিক সাহায্য পাঠানোর লক্ষ্যে সব দেশকে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে জি-টুয়েন্টি দেশগুলোর নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনের পাশাপাশি সেখানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বান কি মুন এই আহ্বান জানান।

সিরিয়ায় কথিত রাসায়নিক অস্ত্র হামলার জবাবে কি করা উচিত, সে প্রশ্নে এই জি-টুয়েন্টি শীর্ষ সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা ছিলেন মারাত্মকভাবে দ্বিধাবিভক্ত।

সিরিয়ার বিরুদ্ধে যে কোন সামরিক হামলার বিরুদ্ধে তাঁর দৃঢ় অবস্থানের কথা বান কী মুন তার ভাষণে একেবারে স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

যে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি এখন চলছে, বান কী মুন তাকে একেবারেই অবিবেচনা-প্রসূত বলে নিন্দা করেন।

তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, এ ধরণের অভিযানের পরিণতি হবে খুবই মারাত্মক এবং মর্মান্তিক।

সিরিয়ার বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ওবামার যুদ্ধ প্রস্তুতির যারা বিরোধিতা করছেন, জাতিসংঘ মহাসচিবের এই জোরালো বক্তব্য তাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করবে।

সিরিয়ার সামরিক অভিযান চালানোর পরিবর্তে জাতিসংঘ মহাসচিব বরং সেখানে আরও বেশি মানবিক সাহায্য পাঠানোর ওপর বেশি জোর দিয়েছেন।

তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, সিরিয়ার জন্য গঠন করা সাহায্য তহবিলে অর্থ সংকট এখন গুরুতর হচ্ছে।

তিনি বলেন, যেভাবে সিরিয়ান শরণার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে শরণার্থীদের জন্য খাদ্য সাহায্যের পরিমাণ কমিয়ে দিতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, যদি আরও সাহায্যের ব্যবস্থা করা না যায়, তাহলে লেবাননে শরণার্থীদের জন্য খাদ্য মওজুদ যে কোন সময় ফুরিয়ে যেতে পারে, আর জর্ডানে খাদ্য সাহায্য চালানো যাবে আর মাত্র দু সপ্তাহ।

সেন্ট পিটর্সবার্গের এই জি-টুয়েন্টি সম্মেলনে সিরিয়ার ব্যাপারে একটি ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গ্রহণের চেষ্টা বিফল হয়।

প্রেসিডেন্ট ওবামা যে সামরিক ব্যবস্থার পরিকল্পনা করছেন, তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ব্রিটেন, ফ্রান্স, তুরস্ক এবং কানাডা।

কিন্তু রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেছেন, সিরিয়ায় রাসায়নিক হামলার পেছনে কারা, তা স্পষ্ট নয়।

শেয়ার করুন