চাকরি স্থায়ীর করার দাবিতে চসিকে বিক্ষোভ

0
135
Print Friendly, PDF & Email

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত নগরীর আন্দরকিল্লা মোড়ে নগর ভবন প্রাঙ্গণে তারা বিক্ষোভ দেখায়।

এতে প্রায় হাজার খানেক শ্রমিক-কর্মচারী অংশ নেন। এ সময় নগর ভবনে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।

চসিকের তিন রেজিস্ট্রার্ড সংগঠন যৌথ সংগ্রাম পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশের  শেষ পর্যায়ে মেয়র মোহাম্মদ মন্জুর আলম সেখানে উপস্থিত হয়ে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে সাত হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত আছেন। কিন্তু এখনো করপোরেশন পরিচালিত হয় ১৯৮৮ সালের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী।

“সেই কাঠামো অনুসারে এক হাজার চারশ শূন্য পদে অস্থায়ী শ্রমিক-কর্মচারীদের স্থায়ীকরণের প্রস্তাব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি এখন অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।”

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অস্থায়ী শ্রমিক কর্মচারীদের স্থায়ী করণের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণেরও আশ্বাস দেন তিনি।

সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চসিক’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমদ, সচিব রশিদ আহমদ, ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ এফ কবির আহমদ মানিক, গিয়াস উদ্দিন, নিয়াজ মোহাম্মদ খান ও ইসমাইল বালি।

সমাবেশে সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক দোস্ত মোহাম্মদ বলেন, প্রায় চার হাজার শ্রমিক কর্মচারী অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করছে। ১৯৮৮ সালের সাংগঠনিক কাঠামো অনুসারে মাত্র এক হাজার চারশ শ্রমিক-কর্মচারীকে স্থায়ী করার দাবি জানাচ্ছি। সে দাবিও বছরের পর বছর বাস্তবায়ন হচ্ছে না।

“যে কয়েক ঘণ্টা নগরবাসী সেবা পেল না সেজন্য আমরা দুঃখিত। কিন্তু আমাদের রুটি রুজির প্রশ্ন। তাই বাধ্য হয়ে আমরা পথে নেমেছি।”

সমাবেশে শুরুতে ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানালেও মেয়রের আশ্বাসের পর কর্মসূচি ঘোষণা স্থগিত রাখেন আন্দোলনকারীরা।

সংগ্রাম পরিষদের সদস্য সচিব কাজী আবু তৈয়ব বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আশ্বাস অনুসারে চলতি সপ্তাহের মধ্যে স্থায়ী করণের কার্যক্রম শুরু না হলে আমরা গণস্বাক্ষর, বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন, অনশন ও কর্মবিরতির কর্মসূচি ঘোষণা করব।

চাকরি স্থায়ী করণের দাবিতে চসিক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন, চসিক শ্রমিক কর্মচারী লীগ ও চসিক শ্রমিক সংস্থার সমন্বয়ে চসিক তিন রেজিস্ট্রার্ড সংগঠন যৌথ সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।

শেয়ার করুন