ছাত্রাবাসে নারীর জবাই করা লাশ

0
104
Print Friendly, PDF & Email

রাজশাহীতে একটি ছাত্রাবাস থেকে গতকাল সোমবার রাতে এক নারীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর নাম ফজিলা খাতুন (৩৫)। পুলিশের দাবি, ফজিলার সাবেক স্বামী নওশাদ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক।
এ ঘটনায় ফজিলার বড় বোন শামীমা আরা পারুল বাদী হয়ে মতিহার থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় ফজিলার সাবেক স্বামী নওশাদ আলীকে আসামি করা হয়েছে।
নিহত ফজিলা খাতুনের বাবার নাম আসাদুজ্জামান। বাড়ি নগরের মতিহার থানার মির্জাপুর এলাকায়।
ফজিলার পরিবার জানায়, দুই বছর আগে নওশাদ আলীর (৪০) সঙ্গে ফজিলার  বিয়ে হয়। নওশাদের বাড়ি পবা উপজেলায়। পারিবারিক কলহের কারণে দুই মাস আগে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এর পর থেকে ফজিলা খাতুন তাঁর বাবার বাড়িতে ছিলেন। কিন্তু সাবেক স্বামী নওশাদ কয়েক দিন ধরে ফজিলার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করছিলেন। ফজিলার ছোট বোন খালেদা বেগম জানান, গতকাল সোমবার বিকেলে তিনি (খালেদা বেগম) ফজিলার সঙ্গে রিকশায় ঘুরেছেন। এ সময় ফজিলার সাবেক স্বামী নওশাদ তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য মুঠোফোনে ফোন করেন। সন্ধ্যার পর থেকে ফজিলাকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। খোঁজাখুঁজির পর গতকাল রাতে বাড়ির পাশের এক ছাত্রাবাসে ফজিলার গলাকাটা লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ রাত ১১টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সোবহান বলেন, ফজিলার সাবেক স্বামী নওশাদই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। ওই ছাত্রাবাসে কোনো ছাত্র ছিল না। সন্ধ্যার দিকে নওশাদকে তাঁদের বাড়ির পাশে দেখা গেছে। পুলিশ ধারণা করছে, রাতে হয়তো কোনো মীমাংসার কথা বলে কৌশলে ফজিলাকে সেখানে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ নওশাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। কিন্তু তাঁকে পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত শেষে ফজিলার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন