ছাত্রলীগের হাতাহাতি, ৮ কমিটি বিলুপ্ত

0
93
Print Friendly, PDF & Email

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় সামনের চেয়ারে বসা নিয়ে করে ছাত্রলীগের কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ঢাকা মহানগরের আটটি কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের সময় চার সাংবাদিক, পুলিশের এক সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা হলেন বিটিভির জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক উজ্জ্বল, ক্যামেরাম্যান রোবায়েত হাসান, মোহনা টিভির প্রতিবেদক মুশফিক হাসান, ক্যামেরাম্যান তপু শাহেদ ও পুলিশ কনস্টেবল আতিক। তাঁদের মধ্যে মোহনা টিভির ক্যামেরাম্যান তপু শাহেদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল চারটার দিকে আলোচনা সভা শুরু হয়। আলোচনা সভায় ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে যান। একপর্যায়ে কদমতলী ও পল্টনের ছাত্রলীগের দুই কর্মীর মধ্যে সামনের চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে দুপক্ষের কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। তখন তাঁদের আশপাশে থাকা কর্মীরা ‘ধর! ধর!’ বলে চিত্কার করতে থাকেন। এ সময় অনুষ্ঠানে আসা ছাত্রলীগের কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এর কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে আলোচনা সভা আবার শুরু হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। এ সময় সভামঞ্চে ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আট কমিটি বিলুপ্ত

ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ রাসেল প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘এ ঘটনার পর ঢাকা মহানগরের অন্তর্ভুক্ত আরও আটটি ইউনিটের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। একটি ইউনিটের কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি করা হয়েছে। বিলুপ্ত আটটি ইউনিট হলো সূত্রাপুর, কদমতলী, শ্যামপুর, বংশাল, সবুজবাগ, গেন্ডারিয়া,  কোতোয়ালি ও ডেমরা। আর রামপুরার কমিটি ভেঙে মোয়াজ্জেম হোসেনকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মাসুদ পারভেজকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি করা হয়েছে।

শেয়ার করুন