এলপি গ্যাসের দাম বাড়ানোর দাবি জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের

0
55
Print Friendly, PDF & Email

বাসাবাড়িতে ব্যবহৃত প্রতিটি সিলিন্ডারজাত এলপি (তরলীকৃত) গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করে এক হাজার টাকা করার দাবি জানিয়েছেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ম তামিম। একই সঙ্গে তিনি এলপি গ্যাসে ভর্তুকি প্রদানের দাবি করেন।

গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার’ আয়োজিত সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ইমদাদুল হক, চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম। বক্তব্য দেন পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন, সাবেক পরিচালক মকবুল এলাহী, বুয়েটের শিক্ষক ড. ইজাজ হোসেন, ফ্রান্স-বাংলাদেশ চেম্বারের সভাপতি হুমায়ন রশিদ চৌধুরী, বাপেক্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোর্তুজা আহমেদ প্রমুখ। ‘এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার’ সম্পাদক মোল্লা জালালের সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পত্রিকাটির কন্ট্রিবিউটিং এডিটর খোন্দকার আবদুস সালেক। সেমিনারে রামপালের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে বিভিন্ন আলোচনার জবাবে ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, রামপাল নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। অনেকে রামপাল নিয়ে শঙ্কিত। তবে সব মতামত নিয়ে সরকার সচেতন বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি দেশবাসীকে বিকল্প জ্বালানি নিয়ে চিন্তা করার আহ্বান জানান। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, গত সাড়ে চার বছরে উদ্যোগ নেওয়ার মতো আন্তরিকতার অভাবে জ্বালানি খাতের উন্নয়ন হয়নি। নেই মনিটরিং করার লোক। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখন বিমানে থাকায় নেই কূটনৈতিক তৎপরতা। ফলে মিয়ানমার ও ভারত থেকে জ্বালানি আসছে না। কয়লাখনির পানি সমস্যার চেয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্য সমস্যা শতভাগ বেশি বলেও তিনি দাবি করেন।

শেয়ার করুন