বিএনপির সঙ্গে আলোচনার পক্ষে নন জয়

0
58
Print Friendly, PDF & Email

এই মুহূর্তে বিএনপির সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার পক্ষে নন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।বিএনপির সঙ্গে আলোচনার পক্ষে নন জয়
সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেইসবুক পোস্টের অংশবিশেষের স্ক্রিনশট
 
বাংলাদেশ সময় সোমবার সকালে নিজের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে দেয়া এক পোস্টে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।
 
অনেক মাস আগে থেকেই আমরা বিরোধীদলের কাছে ‘নির্বাচিত’ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সমঝোতা প্রস্তাব দিয়ে রেখেছি- এমনটা দাবি করে জয় বলেন, “যাইহোক, আমাদের বিরোধীদল বারবার এই ধরনের যেকোন আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এর পরিবর্তে আল্টিমেটাম দিয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে আলোচনা ফলপ্রসু হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি না।”
 
তিনি বলেন, “বিরোধী দল একের পর এক আল্টিমেটাম এবং হুমকি দিয়েই যাচ্ছে, কিন্তু যাই হোক না কেন শেষ পর্যন্ত তারা নির্বাচনে আসবে। তারা গত চার বছর ধরে স্থানীয় নির্বাচনে বারবার এই কাজ করেছে।”
 
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট থেকে অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়েছে- উল্লেখ করে নিজের ফেইসবুক পোস্টে জয় বলেন, “আমাদের সংবিধানের মুখবন্ধে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, যা ‘নির্বাচিত’ জনপ্রতিনিধিদের শাসনাধীন। যার অর্থ হলো যেকোন ‘অনির্বাচিত’ সরকার অসাংবিধানিক।”
 
আওয়ামী লীগ কখনও কোনো নির্বাচনে কারচুপি করেনি দাবি করে ফেইসবুক পোস্টে জয় বলেন, “এবারকার সময় নির্বাচন কমিশনের অধিনে ৬০০০ এর অধিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সবগুলো নির্বাচনই অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। এটা শুধুমাত্র বিএনপি, যারা নির্বাচনে কারচুপির আশ্রয় নেয়। তারা ১৯৯৬ সালে একটি জোচ্চুরির ইলেকশন করেছিলো, যার ফলে তাদের পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিলো।”
 
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “২০০৬ সালে তারা একটি নতুন খসড়া ভোটার তালিকা বানিয়েছিলো যাতে অন্তত ১৪ মিলিয়ন ভুয়া ভোটার ছিলো।
 
রাষ্ট্রপতি ইয়জউদ্দীন সংবিধানের সাতটি ধাপ পাশ কাটিয়ে উত্তরাধিকারসূত্রে নিজেকে প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ করেছিল- উল্লেখ করে জয় বলেন, “এর মাধ্যমে তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। এটা ছিলো বিএনপির ২০০৭ এর নির্বাচনে কারচুপি করার ভয়ানক প্রচেষ্টা যা সমারিক বাহিনীকে ক্ষমতা দখলের সুযোগ তৈরি করে দেয়।”

বিএনপি বারবার বাংলাদেশে গণতন্ত্র ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে দাবি করে জয় বলেন, “আওয়ামী লীগ সবসময় তা রক্ষা করে সমুন্নত রেখেছে। এখন সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আপনার, আপনি কাদের বেছে নেবেন।”

শেয়ার করুন