জেএসসি পরীক্ষা : ইংরেজি প্রশ্নপত্রের কাঠামোয় পরিবর্তন

0
52
Print Friendly, PDF & Email

জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় ইংরেজি প্রথমপত্রের প্রশ্নপত্রের কাঠামো পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রশ্নপত্রে বইয়ের বাইরে থেকে তিনটি প্যাসেজের পরিবর্তে দুটি প্যাসেজ দেওয়া হবে। দুটি প্যাসেজের মধ্যে একটি বইয়ের ভেতর থেকে এবং আরেকটি বইয়ের বাইরে থেকে দেওয়া হবে। এছাড়া চিত্রাঙ্কন থাকায় শিক্ষার্থীদের স্বার্থে জেএসসির চারু ও কারুকলা বিষয়ে ৫০ নম্বরের পরীক্ষার সময় আধঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। তাই এ বিষয়ের পরীক্ষা দুই ঘণ্টার পরিবর্তে আড়াই ঘণ্টা নেওয়া হবে। তবে শিক্ষক ও অভিভাবকরা মান পুনর্বণ্টনের সুপারিশ করলেও গণিতের নম্বর বিভাজন আগের মতোই থাকবে। অর্থাত্ পাটিগণিতে ২৪, বীজগণিতে ৩০, জ্যামিতিতে ৩৬ এবং পরিসংখ্যানে ১০ নম্বর থাকবে।
গতকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে কমিটির সভাপতি ও শিক্ষা সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী উপস্থিত সাংবাদিকদের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, এনসিসিসির সদস্য ও এসব বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জ্যামিতিতে নম্বর কমানোর জন্য অনেকে সুপারিশ করেছে। কিন্তু বিশ্ব প্রেক্ষাপট পর্যালোচনা করে বিশেষজ্ঞদের দেওয়া মতামত অনুযায়ী গণিতের নম্বর আগের মতোই রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী ৪ নভেম্বর থেকে এ বছরের জেএসসি পরীক্ষা শুরু হবে।
শিক্ষা সচিব আরও বলেন, ২০১৫ সাল থেকে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় এবং ২০১৭ সাল থেকে এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় উচ্চতর গণিতে সৃজনশীল প্রশ্নপত্রের তাত্ত্বিক অংশে ৭৫ এবং ব্যবহারিক অংশে ২৫ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সভায়। তবে শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়ার পরই এ বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।
ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী ইংরেজি প্রশ্নপত্রের কাঠামো পরিবর্তনের বিষয়ে বলেন, আগে মাত্র একটি প্যাসেজ থেকে শিক্ষার্থীরা উত্তর দিত। সেখান থেকে হঠাত্ করেই বইয়ের বাইরে থেকে দেওয়া তিনটি প্যাসেজ থেকে উত্তর দিতে হলে শিক্ষার্থীরা চাপে পড়বে। তাই শিক্ষার্থীদের চাপে না ফেলতে সবার মতামতের ভিত্তিতে দুটি প্যাসেজ থেকে উত্তর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগের মতোই ইংরেজি প্রথমপত্রের এই তাত্ত্বিক অংশে মোট নম্বর ৪০ থাকবে। তবে এর মধ্য থেকে কোন প্যাসেজে কত নম্বর থাকবে তা শিগগিরই জানানো হবে।
শিক্ষা সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এনসিসিসি কমিটির সভায় শিল্পী হাশেম খান, গণিত বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক খোদাদাদ খান, ইংরেজি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহীন কবীর, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন