দেশি পাটের জীবনরহস্যও উন্মোচিত

0
94
Print Friendly, PDF & Email

ড. মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে এবার দেশি পাটের ‘জীবনরহস্য’ উন্মোচন করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।দেশি পাটের জীবনরহস্যও উন্মোচিত
 
রোববার বিকেলে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশি পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের এই খবরটি গুরুত্ব দিয়ে প্রচারের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান। দেশি পাটের জীবনরহস্য উন্মোচনের বিষয়টিকে সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ না-ও মনে করতে পারেন ‘আশঙ্কা’ করে প্রধানমন্ত্রীর এ অনুরোধ।
 
তিনি বলেন, “আপানাদের কাছে মনে হতে পারে এটা কিছুই না। কিন্তু আগামী প্রজন্মের জন্য এটা অমূল্য সম্পদ।”
 
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাট বাংলাদেশের সোনালি আঁশ। এই পাটই ছিল এক সময় বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান খাত।
 
কিন্তু বিগত বিএনপি সরকার দেশের বৃহত্তম পাটকল আদমজী জুটমিলসহ বেশ কয়েকটি পাটকল বন্ধ করে দেয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা ক্ষমতায় আসার পর বেশ কয়েকটি পাটকল আবার চালু হয়েছে।”
 
শেখ হাসিনা বলেন, “আমি ২০১০ সালের ১৬ জুন জাতীয় সংসদে পাট গবেষণার সাফল্য নিয়ে একটি ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমি জানিয়েছিলাম, বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা তোষা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেছে। বাকি ছিল দেশি পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন।”
 
তিনি বলেন, “এরপর ২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর আমি জানিয়েছিলাম, আমাদের বিজ্ঞানীরা পাটের এক ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া আবিস্কার করেছেন। এই আবিস্কার পাটের উৎপাদন অনেক বাড়িয়ে দেবে।”
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সে সময় আমি আশা প্রকাশ করে বলেছিলাম, তোষা পাটের সঙ্গে দেশি পাটের জীবনরহস্যও উন্মোচন করবেন আমাদের বিজ্ঞানীরা। এর মাধ্যমে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হবে। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের বিজ্ঞানীরা এবার দেশি পাটের জেনম সিকুয়েন্স [জীবনরহস্য] উন্মোচন করেছে।
 
বাংলাদেশের বিজ্ঞানীর তোষা পাটের জিনের গঠন উদ্ঘাটনে সাফল্যের কথা ২০১০ সালের ১৬ জুন সংসদে বক্তব্যে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
এ গবেষণায় নেতৃত্ব দেন ড. মাকসুদুল আলম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, ডাটাসফট এবং কয়েকটি আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্র সমন্বিতভাবে এ গবেষণায় অংশ নেয়।

শেয়ার করুন