মধুপুরে পৌর মেয়র গ্রেপ্তার প্রতিবাদে অবরোধ-ভাংচুর

0
94
Print Friendly, PDF & Email

টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভার মেয়র ও বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম সরকার ওরফে সরকার শহীদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিবাদে তার সমর্থকরা বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইল-জামালপুর সড়কে অবরোধ করে পুলিশের পিকআপে আগুন দেয়াসহ বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাংচুর করেন।
বিএনপি নেতা ও পৌর কাউন্সিলর আমজাদ হোসেনের করা একটি মামলায় দলের উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সরকার শহীদকে সকাল ১০টার দিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম। তিনি পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শতাধিক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করা হয়েছে।
কাউন্সিলর আমজাদ হোসেন মামলায় উল্লেখ করেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী তার ভাই ইঞ্জিনিয়ার আবদুল লতিফ ভূঁইয়ার পক্ষে বাসস্ট্যান্ডে বেশকিছু বিলবোর্ড লাগানো হয়েছিল।
বুধবার রাত ১১টার দিকে সরকার শহীদ ও প্যানেল মেয়র মেহেদী হাসানসহ তাদের লোকজন বিলবোর্ডগুলো খুলতে গেলে আমজাদ হোসেনের লোকজন বাধা দেন। এ সময় মেয়র কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন এবং ইদ্রিস আলী নামে একজনকে মারধর করেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় আমজাদ আলী রাত ২টার দিকে মধুপুর থানায় মেয়র ও প্যানেল মেয়রসহ ১৪ জনের নামে একটি মামলা করেন। পুলিশ রাত ৩টার দিকে মেয়রকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। সকালে মধুপুর থানার ওসি মজিবর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, “মেয়রকে ‘চা’ খাওয়ার জন্য ডেকে আনা হয়। পরে সকাল ৯টার দিকে তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।”
তার কিছুক্ষণ পরেই ‘মুচলেকা’ দেয়ার কথা বলে মেয়র সরকার শহীদকে পুনরায় থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তখনই তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার।
‘পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চাপেই পৌর মেয়র সরকার শহীদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে’_ বলেন জাকির হোসেন সরকার।
তবে এ বিষয়ে ওসি বা অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন