৩৬ ঘণ্টা পর নদীতে বাবা ও দুই সন্তানের লাশ

0
50
Print Friendly, PDF & Email

কর্ণফুলী থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের ডাঙ্গারচর এলাকায় নদীতে বাংলা বাজারের ব্যবসায়ী মো. হারুনের (৪০) লাশ ভেসে ওঠে।

এরপর সকাল ৭টার দিকে বোয়ালখালী এলাকায় তার ছেলে মারুফ (১৩) ও পতেঙ্গার পদ্মার ঘাট এলাকায় সকাল সাড়ে ৭টায় মেয়ে ইসরাতের (৭) লাশ পাওয়া যায়।

বুধবার রাত ৮টার দিকে এফভি মদিনা-৩ নামে একটি মাছ ধরার এক ট্রলারের ধাক্কায় একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যাওয়ার পর থেকেই ওই তিনজন নিখোঁজ ছিলেন।

ওই নৌকায় থাকা হারুনের স্ত্রী পারভিন আকতার (৩০) ও তাদের আরেক ছেলে মিরাজকে (৭) নৌকাডুবির পরপরই জীবিত উদ্ধার করা হয়।

এরপর কোস্টগার্ডের পেট্রোল দল ও ডুবুরিরা বৃহস্পতিবার সারাদিন  অনুসন্ধান চালালেও নিখোঁজ তিনজনকে উদ্ধারে ব্যর্থ হন। শুক্রবার সকালে নদীতে লাশ ভেসে উঠতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয় জেলেরা। 

পারভিনের আত্মীয় মো. রাজ্জাক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, হারুন নগরীর বাংলা বাজার এলাকায় জাহাজের রশি ও পুরানো জিনিসের ব্যবসা করতেন। রশিদ বিল্ডিং দুই নম্বর গলিতে তাদের বাসা।

পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদ করতে গ্রামের বাড়ি চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী গ্রামে যান হারুন। সেখান থেকে ফেরার পথেই দুর্ঘটনায় পড়েন।

ইসরাত ও মিরাজ যমজ ভাইবোন ছিল বলে জানান রাজ্জাক।

এস আই জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিনজনের লাশ চট্টগ্রাম মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ট্রলারের ধাক্কায় নৌকাডুবির ঘটনায় কর্ণফুলী নদীর সাম্পান মালিক সমিতির সভাপতি জাফর আহমেদ বাদি হয়ে একটি মামলা করেছেন। কোস্ট গার্ড শাহ আমানত ব্রিজ এলাকা থেকে ট্রলারটি আটক করলেও এর চালক পালিয়ে গেছে।

শেয়ার করুন