মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খানের মু্ক্তি চেয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিও মজিনা। বুধবার বেলা তিনটার দিকে গুলশানে অধিকারের কার্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
এ সময় তাঁর সঙ্গে সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও কানাডার দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা ছিলেন।
অধিকার সম্পাদক গ্রেপ্তারের পর মার্কিন দূতাবাস উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। এ ছাড়া ঢাকায় ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত রবার্ট গিবসন এক টুইট বার্তায় তাঁর উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেছেন বলে যুক্তরাজ্যের পত্রিকা ‘গার্ডিয়ান’ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
অধিকারের জ্যেষ্ঠ গবেষণা কর্মকর্তা তাসকীন ফাহমিনা জানান, মার্কিন রাষ্ট্রদূত তাঁদের কাছে আদিলুর রহমান খান ও অধিকারের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। কেন ও কীভাবে আদিলুর আটক হলেন, সে সম্পর্কেও তাঁরা জানতে চেয়েছেন। অধিকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকের পর তাঁরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।
এর আগে সকালে জাতিসংঘ অধিকার সম্পাদকের গ্রেপ্তারের ঘটনা উদ্বেগ প্রকাশ করে। একই সঙ্গে, তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
রাজধানীর গুলশান থেকে ১০ আগস্ট রাতে আদিলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ১১ আগস্ট নিম্ন আদালত তাঁর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন আদিলুর রহমান। ১২ আগস্ট আদিলুর রহমান খানের রিমান্ড আদেশ স্থগিত করেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে বিলম্ব ছাড়াই তাঁকে কারাগারে পাঠাতে বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন। বিচারপতি বোরহান উদ্দিন ও বিচারপতি কাশিফা হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চ রুল জারির পাশাপাশি এ আদেশ দেন। হাইকোর্টের আদেশে জিজ্ঞাসাবাদ অসমাপ্ত রেখেই মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে আদিলুরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।







