বীরগঞ্জে নেরিকা-১০ ধান চাষে সফলতা

0
85
Print Friendly, PDF & Email

বীরগঞ্জের তিনজন কৃষক পরীক্ষামূলকভাবে নেরিকা-১০ জাতের ধান চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। ৯৪ দিন পর মঙ্গলবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠ দিবসের মধ্যদিয়ে ধান কর্তন করা হয়।
উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জিত কুমার পালের সহযোগিতায় সাতোর ইউনিয়নের চৌপুকুরিয়া মাঝাপাড়া গ্রামের তিনজন কৃষক সুভাষ রায়, মৃত্যুঞ্জয় রায় এবং যোধিষ্টির রায় নতুন জাত নেরিকা-১০ ধান আবাদ করেন। কৃষি অফিসের সহযোগিতায় তারা সবাই পরীক্ষামূলকভাবে ৩৩ শতাংশ জমিতে নেরিকা-১০ জাতের ধান চাষ করে সফলতা পেয়েছেন।
উদ্যোক্তা কৃষক দিলীপ চন্দ্র রায় জানান, গম কাটার পর ২৬ এপ্রিল নেরিকা-১০ জাতের ধানের বীজ বপন করা হয়। জমি তৈরি করার পর ৮ মে ধানের চারা রোপণ করেন। ৯৪ দিন পর ৩০ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠ দিবসের মধ্যদিয়ে ধান কর্তন করা হয়েছে। ৩৩ শতাংশ জমিতে ৬৪৮ কেজি ধান ফলন হয়েছে। কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন প্রত্যেক কৃষককে ৩৩ শতাংশ জমির জন্য ১০ কেজি বীজধান, ২০ কেজি ইউরিয়া, ১০ কেজি টিএসপি, ১০ কেজি পটাশ, সেচ বাবদ ৩০০ টাকা, নিড়ানি বাবদ ৩০০ টাকা ভর্তুকি দেয়। এতে ৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ১৭ টাকা ৫০ পয়সা প্রতি কেজি দরে ৬৪৮ কেজি ধান ১১ হাজার ৩৪০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এতে ৩৩ শতাংশ জমিতে ৩ হাজার ৩৪০ টাকা লাভ হয়েছে।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জিত কুমার পাল জানান, পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম এ ধান আবাদ করা হয়েছে। ধান চাষে দুইবার সেচ দিতে হয়। এ ধানের জীবনকাল ৯৪ দিন। ৩৩ শতাংশ জমিতে ৬৪৮ কেজি ধান ফলন হয়েছে। এতে ৪৩১ কেজি চাল হবে। হেক্টরপ্রতি ৪.৮৫ মেট্রিক টন ফলন হয়।

শেয়ার করুন