রোজায় কেমন খেলে সুস্থ থাকব

0
93
Print Friendly, PDF & Email

রোজায় প্রতিদিনের খাবারের মেন্যুতে আসে ভিন্নতা, তার সঙ্গে সময়ের ব্যবধান তো রয়েছেই। চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখে খাবারের তালিকা ঠিক করে নিন …
আপাতদৃষ্টিতে আমাদের অনেকেরই মনে হতে পারে যে, রোজায় ১৪/১৫ ঘণ্টা না খেয়ে থেকে স্বাস্থ্যহানি ঘটতে পারে। তাই ইফতারে বেশি বেশি খাওয়া ভালো। আবার অনেকেই বলেন, রোজায় খাবারের হিসাব নেই। রোজায় রকমারি খাবারের আয়োজন বেড়ে যায়, যা কি-না স্বাস্থ্য উপযোগী নয়। শিশু কিংবা প্রাপ্ত বয়স্ক প্রত্যেকেরই খাবার হতে হবে সুষম। রোজায় খাবারের বিরতি কম হওয়ায় প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই দৈনিক চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রেখেই খাদ্য নির্বাচন করা দরকার।
একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির রোজায় একদিনের খাদ্য তালিকা
ইফতার :খেজুর ১টি, লেবুর শরবত, ছোলা+মুড়ি+সালাদ, সবজি বড়া/বেগুনি ২টি, পেঁয়াজু ২টি, জিলাপি ছোট ১টি।
সন্ধ্যা রাত :চিড়া+দই+আম ১ বাটি।
সেহরি : ভাত (১৫০-২০০ গ্রাম), সবজি নিরামিষ/শাক, ছোট মাছ/সামুদ্রিক মাছ (৩০ গ্রাম), সালাদ।
বাড়ন্ত শিশুর রোজার খাদ্য তালিকা
ইফতার : খেজুর ১টি, আমের জুস/শরবত, ছোলা+পেয়াজু+বেগুনি ১ কাপ, ফিরনি/সেমাই/পুডিং (১ �াইস), ফলের সালাদ।
সন্ধ্যা রাত : সবজি খিচুড়ি+ডিম/মুরগি অথবা কাবাব ১টি+ফল ১টি।
সেহরি : দুধ+ভাত+কলা/আম।
ডায়বেটিক রোগীর জন্য রোজার পথ্য
ডায়াবেটিক রোগীর জন্য রোজার প্রয়োজন নেই- এটি অনেকেরই ধারণা, যা সঠিক নয়। কিছু রোগে রোজা হুমকি বা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। নিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিক রোগীর জন্য রোজা স্বাস্থ্যসম্মত। তবে খাদ্যদ্রব্য নির্বাচন করতে হবে সতর্কতার সঙ্গে, যাতে রক্তের শর্করা বৃদ্ধি না পায়। বেশি করে আঁশবহুল এবং টক জাতীয় ফল নির্বাচন করতে হবে। এ ছাড়াও ভাজাপোড়া কম করে খেলে রোগের মাত্রা বাড়বে না।
ইফতার : ডাবের পানি, কাঁচা ছোলা+আদাকুচি+লেবু, চিড়া+দই ১ কাপ, সবজি বড়া/বেগুনি ২টি, ছোলা ২ টেবিল চামচ+সালাদ, মৌসুমি ফল (কম মিষ্টি) ১টি।
সন্ধ্যা রাত : দুধ+মুড়ি, সবুজ আপেল ১টি।
সেহরি : রুটি ২টি, সবজি নিরামিষ (মাটির নিচের সবজি ছাড়া) সামুদ্রিক মাছ ১ টুকরা, সালাদ ৩০ গ্রাম।

শেয়ার করুন