পানি সম্পদের অপচয়ের কারণে আমরা ক্রমেই পানি সংকটের দিকে ধাবিত হচ্ছি — কৃষিবিদ মো. একরাম হোসেন

0
92
Print Friendly, PDF & Email

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক (এডি) কৃষিবিদ মো. একরাম হোসেন বলেন- বোরো ধান উৎপাদনে পর্যাপ্ত পানির প্রয়োজন হয়। তাই পানি সম্পদের অপচয় রোধে কম পানি দিয়ে কিভাবে ফসল ফলানো যায়, সে দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। কেননা গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি কেজি বোরো ধান উৎপাদন করতে অন্তত আড়াই থেকে তিন হাজার লিটার পানির প্রয়োজন হয়। পানি সম্পদের এ অপচয় রোধে এখনই বিকল্প পদক্ষেপ না নিলে একদিন এ দেশ মরুভূমিতে পরিণত হতে পারে। যা কোনভাবেই কাম্য হতে পারেনা। পানি সম্পদের অপচয়ের কারণে আমরা ক্রমেই পানি সংকটের দিকে ধাবিত হচ্ছি। তাই পানি সম্পদের অপচয় রোধে- আলু, সরিষা, মুগডালসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন শেষে নতুন ফসল হিসেবে বোরো ধান চাষ না করে যদি রোপা আউস ধান চাষ যায়, তাহলে পানির অপচয় অনেক কমে যাবে। জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্ত আয়োজিত ‘খরা প্রবণ এলাকার উপযোগী ধানের জাত নির্বাচন এবং উৎপাদন কলাকৌশল’ শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।  রোববার বৈরাগীরহাট সাউথ পোল কোল্ড স্টোর প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ওই কৃষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আ.জা.মু আহসান শহীদ সরকার। এতে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জয়পুরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ডিডি) কৃষিবিদ দেলবর হোসেন ও জেলা শস্য উৎপাদন বিশেষজ্ঞ (সিপিএস) আজাহার আলী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রকল্প মনিটরিং কর্মকর্তা আসাদুদ্দৌলা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাবিবুর রহমান, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোজাফ্ফর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, মোমতাজুর রহমান, হায়দার আলী, মোহসিনা বেগম প্রমুখ।

শেয়ার করুন