নির্বাচন দিয়ে জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের আহ্বান খালেদার

0
54
Print Friendly, PDF & Email

শনিবার ইফতার মাহফিলে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি বলেন, “এই সরকারের কাছ থেকে জনগণ মুক্তি চায়। বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই তাদের বলব, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাই করুন। জনগণ আপনাদের ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে।”

হোটেল রূপসী বাংলার উইন্টার গার্ডেনে এই ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা।

ইফতারের আগে দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক নাজির আহমেদ বক্তব্য দেন।

খালেদা জিয়া সরকারের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা জনগণের চাওয়া-পাওয়া পূরণের রাজনীতি করি। এই সরকার একদিকে ক্ষমতায় আসার পর থেকে জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন করছে। অন্যদিকে সম্পদ লুটপাট করছে। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে আজ এই জুলুমবাজ ও অত্যাচারি সরকারকে বিদায় করতে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।”

নির্দলীয় সরকারের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “আমরা দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। কিন্তু এই সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, পুলিশ বাহিনীসহ কোনো প্রতিষ্ঠানই নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে না। তাদের অধীনে কোনোভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। আগামীতে কোনো নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হওয়া সম্ভব নয়।”

পরে বিরোধী দলীয় নেতার সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর লিবারেল ডেমোক্রেটিক লীগে অলি আহমেদ, ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল লতিফ নেজামী, খেলাফত মজলিসের আহমেদ আবদুল কাদের, জাগপার শফিউল আলম প্রধান, এনপিপির শেখ শওকত হোসেন নিলু, এনডিপির খন্দকার গোলাম মূর্তজা, লেবার পার্টির মুস্তাফিজুর রহমান ইরান নেতারা একই টেবিলে বসে ইফতার করেন।

এছাড়া বিএনপির মওদুদ আহমদ, জমির উদ্দিন সরকার, এম কে আনোয়ার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, আহমেদ আজম খান, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন,মাহবুব উদ্দিন খোকন, আবদুস সালাম, আসাদুজ্জামান রিপন, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সাংসদ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, রাশেদা বেগম হীরা, শাম্মী আখতার, বিরোধী দলীয় প্রধান হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক জামায়াতের ইফতারে উপস্থিত ছিলেন।

নবনির্বাচিত মেয়রের মধ্যে বরিশালের আহসান হাবিব কামাল, গাজীপুরের অধ্যাপক এম এ মান্নান, কবি আল মাহমুদ, কবি আবদুল হাই শিকদার, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, শওকত মাহমুদ, এম এ আজিজ, মাহফুজুল্লাহ, কামাল উদ্দিন সবুজ, সৈয়দ আবদাল আহমেদ অধ্যাপিকা তাজমেরী এস এ ইসলাম, অ্যাডভোকেট বদরুদ্দোজা বাদল, ১৮ দলীয় জোটের  শাহাদাত হোসেন সেলিম, আলমগীল মজুমদার, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, হামদুল্লাহ আল মেহেদি, এম এম আমিনুর রহমান প্রমুখ অংশ নেন।

জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় নেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জসিম উদ্দিন সরকার, মাওলানা আবদুল হালিম, সাংসদ এ এম শামসুল ইসলাম, মঞ্জুরুল আলম ভুঁইয়া, মোবারক হোসেন, অ্যাডভোকেট মসিউর আলম, রেদোয়ান উল্লাহ শাহেদী, মতিউর রহমান আখন্দ প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন