চার বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

0
109
Print Friendly, PDF & Email

জীবননগর উপজেলার বেনীপুর সীমান্ত থেকে দুজন এবং একই উপজেলার হরিহরনগর সীমান্ত থেকে আরও এক বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ীকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। এদিকে শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা সংলগ্ন বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের কাছ থেকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বদিউজ্জামান নামের এক বাংলাদেশী কাঠুরিয়াকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ।
বেনীপুর বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার মোঃ মহাসিন জানান, আটককৃত ৩ বাংলাদেশীকে ফেরতের ব্যাপারে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় বেনীপুর সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় বিএসএফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আটককৃতদেরকে কৃষ্ণনগর থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ায় তাদেরকে এখন ছাড়া পেতে হবে।
এলাকাবাসী জানান, জীবননগর উপজেলার বেনীপুর গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে গরু ব্যবসায়ী আরিফুল ইসলাম আরিফ ও মহিউদ্দীনের ছেলে হাসেম আলী বুধবার রাত ১১টার দিকে বেনীপুর সীমান্তের ৬২ নম্বর মেইন পিলার দিয়ে গরু নিয়ে ফিরছিলেন। এ সময় ভারতের ১৭৩ ব্যাটালিয়নের পুটিখালি ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের আটক করে। প্রায় একই সময়ে উপজেলার হরিহরনগর সীমান্তের ৬৩ নম্বর মেইন পিলারের কাছ দিয়ে গরু নিয়ে ফেরার সময় হরিহরনগর গ্রামের মৃত সন্তোষ মিয়ার ছেলে কাওসার উদ্দীনকে আটক করে বিএসএফ ।
চুয়াডাঙ্গা বিজিবি ৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গাজী আসাদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, বিএসএফের হাতে আটক তিন গরু ব্যবসায়ীকে ফেরত চেয়ে বুধবার রাতেই বিজিবির পক্ষ থেকে বিকএসএফকে জানানো হয়।
এদিকে কর্ণঝোড়া বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার মোঃ রেজাউল আলম সরকার বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জানান, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সংলগ্ন শ্রীবরদী উপজেলার কুমারগাতী গ্রামে সীমান্তের ১০৯১ নাম্বার পিলারের কাছে দুপুর ১২টার দিকে ওই কাঠুরিয়া বদিউজ্জামান কাঠ কাটতে গেলে বিএসএফের টহল দল তাকে ধরে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফের কাছে পত্র পাঠালে তারা ওই কাঠুরিয়াকে ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে বদিউজ্জামানকে ভারতের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হলে তাকে আদালতের মাধ্যমে ভারতের কারাগারে প্রেরণ করা হয় বলেও বিজিবি কর্ণঝোড়া ক্যাম্প কমান্ডার জানান।

শেয়ার করুন