লন্ডনে বৈঠক নয়, কথা হবে

0
32
Print Friendly, PDF & Email

আগামী নির্বাচন নিয়ে সংলাপ না হলে ঈদের পর আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি।লন্ডনে বৈঠক নয়, কথা হবে
গতকাল ভোরে লন্ডন রওনা হওয়ার আগে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের টার্মিনালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ হুঁশিয়ারি দেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, লন্ডন দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠক নেই। তিনি কেমন আছেন, তার শারীরিক অবস্থা কি তা জানতে টেলিফোনে কথা হবে। আগামীকাল ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ ‘হাউস অব লর্ডস’-এর উদ্যোগে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও সুশাসনবিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। এতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তার অংশ হিসেবে বিএনপির ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মির্জা ফখরুল। সকাল সাড়ে ৬টায় কুয়েত এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। আগামী ১৯ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন দলের সহসভাপতি শমসের মবিন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আবদুল মান্নান, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির। মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে গণতন্ত্র অব্যাহত রাখার দায়িত্ব সরকার ও বিরোধী দলের। আমরা বার বার বলে আসছি, শান্তিপূর্ণ উপায়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর চাই। আমরা এখনো আশা করছি, সরকার আগামী নির্বাচন নিয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে সংলাপে বসবে। কথা বলবে। তা না হলে ঈদের পর নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আমরা আন্দোলনে যাব। সেমিনারের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী নির্বাচন, বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি, সুশাসন, নির্বাচন ও গণতন্ত্র ইত্যাদি বিষয় নিয়ে এ সেমিনারে আলোচনা হবে। তিনি জানান, ব্রিটিশ হাউস অব লর্ডস-এর প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের উদ্যোগে এ আন্তর্জাতিক সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সংলাপের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্র অব্যাহত রাখার দায়িত্ব সরকার ও আমাদের। আমরাও চাই আগামী নির্বাচন নিয়ে সরকার বিরোধী দলের সঙ্গে কথা বলবে। আমরা আশাবাদী তারা সংলাপ অনুষ্ঠানে সাড়া দেবে। সংলাপে যদি একেবারেই সাড়া না দেয়, তাহলে আমাদের আন্দোলন ছাড়া বিকল্প থাকবে না। এটা নির্ভর করছে সরকারের আচরণের ওপর।

শেয়ার করুন