মেরুকরণ ঈদের পর

0
128
Print Friendly, PDF & Email

জাতীয় রাজনীতিতে মেরুকরণ শুরু হবে ঈদের পর। আওয়ামী লীগ ব্যস্ত হবে ঘর গোছাতে। অন্যদিকে বিএনপি যাবে তত্ত্বাবধায়ক ইস্যু বাস্তবায়নে কঠোর কর্মসূচিতে। থেমে থাকবে না এরশাদের জাতীয় পার্টিও। তারাও নতুন পথ খুঁজে নেবে নিজেদের মতো করে। নির্বাচনকে সামনে রেখে ছোটখাটো দলগুলোও যোগ দেবে জোট-মহাজোটে। ঈদ শেষ হলেই শুরু হবে রাজনীতির নতুন যাত্রা।

তৃণমূল চাঙ্গা কর্মসূচি আওয়ামী লীগের

রফিকুল ইসলাম রনি

জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলকে চাঙ্গা করতে ঈদের পর জেলায় জেলায় সফরে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাঁচ সিটি করপোরেশনে শোচনীয় পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে এমপি-মন্ত্রীদের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব নিরসন, দলীয় প্রার্থী মনোনয়নে বড় ধরনের পরিবর্তন, দলের শূন্য দুটি প্রেসিডিয়াম পদ পূরণ, একজনকে দলের মুখপাত্র করা, পূর্ণাঙ্গ উপ-কমিটি গঠন ও দায়িত্ব বণ্টন, কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে নির্বাচনী প্রচারণা টিম গঠনসহ একগুচ্ছ সাংগঠনিক কর্মসূচি আসছে আওয়ামী লীগে। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হতে পারে। তবে দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়াতে জেলা-উপজেলাতে নতুন করে আর কোনো সম্মেলন করা হচ্ছে না। দলীয় সূত্র মতে, রমজান মাসেই দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে দলের কার্যনির্বাহী সংসদেও বৈঠক ডাকা হচ্ছে। বৈঠক ডেকে সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে কর্মপন্থাও ঠিক করা হবে। নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সক্রিয় করতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলে গুরুত্ব পাবেন দুঃসময়ের কাজ করা এবং কর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতারা। দলীয় সূত্রমতে, তৃণমূলকে ঢেলে সাজাতে এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই জেলা নেতাদের নির্দেশ দেবেন। ঈদের পর যে জেলায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী জনসভা করেননি সেসব জেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সফর করবেন। আর এ সফরই মূলত তার নির্বাচনী সফর বলে জানা গেছে।কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে ১২টি নির্বাচনী টিম গঠন করা হচ্ছে। ওই টিমের প্রধানমন্ত্রী নিজেই তদারকি করবেন। তিনি সাংগঠনিক সম্পাদকদের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। পাঁচটি সিটি করপোরেশনে দল সমর্থিত প্রার্থীদের শোচনীয় পরাজয়ের পর দলীয় অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে আসায় দলীয় সভানেত্রী সাংগঠনিক সম্পাদকদের ওপর চরম ক্ষুব্ধ। একাধিকবার স্ব স্ব বিভাগের সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটানো এবং দলীয় কোন্দল নিরসনের তাগিদ দিলেও সাংগঠনিক সম্পাদকদের অনেকেই সুপার ফ্লপ হয়েছেন। কোন্দল নিরসন তো দূরের কথা আরও জিইয়ে রেখেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও বেলারুশ সফর শেষে দেশে ফিরে তিনি সাংগঠনিক সম্পাদদের এড়িয়ে চলছেন বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে। দলের প্রচার নিয়েও খুশি নন প্রধানমন্ত্রী। দলের সাধারণ সম্পাদক পদে পরিবর্তনের গুজব থাকলেও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ে কথা বলে জানা যায়, এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো পর্যায়ে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। তবে এই মুহূর্তে সৈয়দ আশরাফ পদত্যাগ করছেন না। তবে একজন শীর্ষ নেতাকে দলের মুখপাত্র করার বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্র জানায়, চার সিটি করপোরেশনের ফলাফলের পর দলীয় সভানেত্রী প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদেরকে দলের ধানমন্ডির কার্যালয়ে বসার নির্দেশ দেন। তাকে সংগঠনের দেখভাল করারও দায়িত্ব দেন শেখ হাসিনা। এ ছাড়া দলের উপ-কমিটি সম্পন্ন করার জন্য ওবায়দুল কাদের এবং দুই যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানককে দায়িত্ব দিয়েছেন দলীয় সভানেত্রী। তাদের মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দলে আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এ সপ্তাহেই উপ-কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হবে। তালিকা চূড়ান্ত করে দলীয় সভানেত্রীর হাতে জমা দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের দায়িত্ব বণ্টন করা হতে পারে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ঈদের পর তৃণমূলকে ঢেলে সাজাতে জেলা সফরসহ নানা কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। দলেও আনা হচ্ছে বড় ধরনের পরিবর্তন। চলতি সপ্তাহের যে কোনোদিন দলীয় প্রধান দলের কার্যনির্বাহী সংসদে সভা ডাকবেন। সেখানেই এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় নেতাদের তৃণমূলে সফরের কর্মসূচি দেওয়া হবে। রমজান মাসে রাজধানীর বাইরে রাজনৈতিক কর্মসূচি না নিলেও ইফতারের আড়ালে ঢাকার প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার ওয়ার্ড, থানা ইউনিটগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও বেলারুশ সফর শেষে দেশে ফিরেই দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা ও এমপিদের সঙ্গে গণভবনে একাধিক বৈঠক করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পরাজয়ের কারণ জানতে চান দায়িত্বপ্রাপ্ত দলীয় নেতাদের কাছে। দলীয় কোন্দল, এমপিদের সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের দূরত্ব, কারও কারও নেপথ্যে থেকে বিরোধিতার অভিযোগও করেন নেতারা। বৈঠক সূত্র জানায়, এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সারা দেশেই এ ধরনের সাংগঠনিক অবস্থা বিরাজ করছে। গাজীপুর সিটিতে দল সমর্থিত প্রার্থীর পরাজয় অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও তৃণমূলের সাংগঠনিক অবস্থার টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দেখছেন দলীয় সভানেত্রী। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য দলের নেতা-কর্মীদের তৃণমূলে দলীয় কোন্দল নিরসনের উদ্যোগ এবং সরকারের সাড়ে চার বছরের সফলতাগুলো তুলে ধরে নির্বাচনী প্রচারে নামার তাগিদ দেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই দলের কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক ডাকা হবে। বৈঠকে জেলা সফরের কর্মসূচিও চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান তিনি। এ ছাড়াও দুই একদিনের মধ্যেই দলের পূর্ণাঙ্গ উপ-কমিটির নাম ঘোষণা করা হবে জানান হানিফ। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে মন্ত্রী-এমপিদের সঙ্গে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে তা নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। এ লক্ষ্যে ৩০০ আসনের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের একটি সূত্র জানায়, সারা দেশে ৩০০ আসনে প্রার্থীদের অবস্থা নিয়ে সর্বশেষ জরিপটি হাতে পেয়েছেন দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেগুলো বিশ্লেষণ করে প্রার্থী মনোনয়নের কাজও শুরু করা হবে।

ফের হরতাল অবরোধে যাচ্ছে বিএনপি

শফিউল আলম দোলন

ঈদের পর আন্দোলনের প্যাকেজ নিয়ে মাঠে নামছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। হরতাল, অবরোধ, গণমিছিল, সভা-সমাবেশসহ সারা দেশে ব্যাপক গণসংযোগ কর্মসূচি থাকবে এতে। তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতেই পর্যায়ক্রমে এসব কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিও নেবে বিরোধী দল। নির্বাচনী ইশতেহার তৈরির কাজ ইতোমধ্যেই শুরু করেছে তারা। চূড়ান্ত কর্মসূচি দেওয়া হবে অক্টোবরে। দাবি না মানলে তখন টানা হরতালসহ অসহযোগ কর্মসূচিতে চলে যাবে বিরোধী জোট। রমজানকে সাংগঠনিক মাস হিসেবে ঘোষণা করলেও ঈদের পরই আয়োজন করা হতে পারে ‘আরপিও’ ঠিক রাখার জন্যে নামকাওয়াস্তে একটি জাতীয় কাউন্সিল। সে কাউন্সিলে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন না এলেও দু-একটি পদে চমক আসতে পারে। প্রক্রিয়া চলছে, তবে এখনো নিশ্চিত নয়। রমজানের মধ্যেই অনুষ্ঠেয় জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। তবে জাতীয় কাউন্সিলের কথা শুনে দেশের যেসব স্থানে, বিশেষ করে যেসব জেলা-উপজেলায় এখনো কমিটি হয়নি সেগুলো গঠন/পুনর্গঠনের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীরা ব্যাপক আশাবাদী। শুরু হয়েছে ব্যাপক লবিং-তদ্বির। অন্যদিকে কৃষক দল, যুবদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও তাদের নিজ নিজ সংগঠন পুনর্গঠনের ব্যাপারে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন। তারা আশা করছেন, আগস্টের শেষের দিকেই অঙ্গসংগঠনের পুনর্গঠনের কাজে হাত দেবেন বেগম খালেদা জিয়া। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, রমজানের পরপরই বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী কর্মিসভা করবেন। এরপর জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকার আশপাশসহ বিভিন্ন জেলায় সমাবেশ করবেন নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের আদলে। পাশাপাশি সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইসহ প্রার্থী নির্ধারণের কাজও শেষ করা হবে। তবে এ নিয়ে ইতোমধ্যেই একাধিক জরিপ পরিচালনাও চলছে গোপনে। এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া রমজানের প্রথমার্ধ জুড়ে ইফতার রাজনীতি শেষে আগামী ২৭ জুলাই অর্থাৎ ১৭ রমজান প্রতি বছরের মতো ওমরাহ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছেন। সেখান থেকে তিনি শবেকদরের রাতের ইবাদত শেষে ঈদুল ফিতরের আগের দিন দেশে ফিরবেন। অন্যদিকে লন্ডনে অবস্থানরত দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানও সস্ত্রীক ওমরাহ পালনে সৌদি যাওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে মা ও পুত্রের দেখা হতে পারে সেখানে। এটি হবে ওয়ান-ইলেভেনের পর তাদের দ্বিতীয়বারের মতো সাক্ষাৎ। আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ঈদের পর তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদও একই কথা বলেন। তিনি জানান, নির্দলীয় সরকারের অধীনে ছাড়া এদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে না এবং হতে দেওয়াও হবে না। আর স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য এম কে আনোয়ার বলেন, এর মধ্যে যদি সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় না হয়, তাহলে শেষ পরিণতি ভালো হবে না। তবে বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ঈদের পর আন্দোলনের কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার কথা বললেও এর পাশাপাশি নির্বাচনী প্রস্তুতির ওপরও গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে ক্ষমতাসীন সরকারকে বাধ্য করা হবে। সারা দেশে সর্বস্তরের নেতা-কর্মীর প্রতি একই সঙ্গে আন্দোলন ও নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ারও আহ্বান জানান দলীয় চেয়ারপারসন। সংশ্লিষ্ট অপর একটি সূত্র জানায়, আগামী জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহারের কাজও বিএনপি ইতোমধ্যেই শুরু করেছে। দলের স্থায়ী ও নির্বাহী কমিটির এক ডজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছাড়াও চেয়ারপারসনের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং সাবেক কজন আমলাকেও এ কাজে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা চুপচাপ ইশতেহার তৈরির কাজ করছেন। এর মধ্যে একজন প্রবীণ সাংবাদিকও জড়িত রয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি মনে করে একমাত্র নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতা হস্তান্তর সম্ভব। এ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। সেজন্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলেছেন আমাদের চেযারপারসন। আর সে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে হলে প্রয়োজন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আর এই নির্দলীয় সরকারের দাবি এখন আর শুধু বিরোধী দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের ৯০ ভাগ মানুষই এখন মনে করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া দেশে অবাধ, সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন সম্ভব নয়। বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোর্শেদ খান বলেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে একমাত্র সমাধান হলো নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা। সরকারের জনপ্রিয়তার অবস্থা পরিষ্কার হয়ে গেছে সাম্প্রতিক পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মাধ্যমে। জাতীয় নির্বাচনের আদলে অনুষ্ঠিত এসব সিটি নির্বাচনে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করেছে যে, আগামী নির্বাচন অবশ্যই নির্দলীয় সরকারের অধীনে হতে হবে।

শেয়ার করুন