রাজশাহীর সেই শিশু গৃহকর্মী ধর্ষণের শিকার হয়েছিল

0
55
Print Friendly, PDF & Email

রাজশাহী নগরের ভদ্রা আবাসিক এলাকায় গত ২৬ জুন সকালে এক শিশু গৃহকর্মীর গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। ময়নাতদন্তে ওই শিশুকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে পুলিশ গৃহকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে। পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে গত বৃহস্পতিবার তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ওই শিশু গৃহকর্মীর নাম মনোয়ারা খাতুন (১৩)। বাবার নাম রমিজ কেরানি। বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চরমোল্লা গ্রামে।
গৃহকর্তার নাম ইফতেখার আলম। তিনি নগরের পদ্মা আবাসিক এলাকার ১ নম্বর সড়কের ৫৪৬ নম্বর বাসায় ভাড়া থাকেন। একটি কোমল পানীয় কোম্পানির রাজশাহী জোনের কর্মকর্তা তিনি। তাঁর বাড়ি রংপুরে। তাঁর শ্বশুরের পরিবার ঢাকায় থাকে। তাঁরাই দেড় বছর আগে শিশুটিকে কাজের জন্য এনে দেন।
ঘটনার দিন ইফতেখার দাবি করেছিলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে শিশুটির শয়নকক্ষের সিলিং ফ্যানের হুকের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শিশুটি আত্মহত্যা করেছে।
পরে পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, ঘটনার দিন রাতে ইফতেখারের স্ত্রী বাসায় ছিলেন না। শিশুটির শয়নকক্ষের দরজাও খোলা ছিল। কক্ষে কোনো ফ্যান ছিল না। শুধু ফ্যান লাগানোর হুক ছিল। সেই হুকের সঙ্গেই শিশুটির ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও নগরের বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বলেন, গত মঙ্গলবার তিনি ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পান। এতে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ওসি জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বুধবার এ ঘটনায় মামলা করা হয় এবং গৃহকর্তা ইফতেখারকে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়। কথা অনুযায়ী ইফতেখার নগরের সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট এলাকায় দেখা করতে এলে সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শেয়ার করুন