লক্ষ্যমাত্রায় বেঁধে রাখা গেল না মূল্যস্ফীতি

0
100
Print Friendly, PDF & Email

লক্ষ্যমাত্রায় বেঁধে রাখা গেল না মূল্যস্ফীতির হার। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে (২০১২-১৩) বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭০ শতাংশ। ১৯৯৫-৯৬ ভিত্তিবছর ধরে এই হিসাব করা হয়েছে। সরকার অবশ্য বার্ষিক ৭ দশমিক ৫০ শতাংশের মধ্যে মূল্যস্ফীতি বেঁধে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গতকাল রোববার এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়। এ সময় বিবিএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, ২০০৫-০৬ ভিত্তিবছর ধরে ভোক্তা মূল্যসূচক নির্ণয় করলে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
সংবাদ সম্মেলনে সর্বশেষ জুন মাসের মাসওয়ারি মূল্যস্ফীতিও প্রকাশ করা হয়েছে। ১৯৯৫-৯৬ ভিত্তিবছরে জুন মাসে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। আর নতুন ২০০৫-০৬ ভিত্তিবছরে এই হার ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ। উভয় ভিত্তিবছরে খাদ্যসূচকে মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে।
আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিবিএস মহাপরিচালক গোলাম মোস্তফা কামাল বলেন, বিভিন্ন কৌশলের ফলে গত এক বছরে মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। খাদ্যপণ্য বিশেষ করে চালের দাম নির্দিষ্ট সীমায় বেঁধে রাখার কারণে অর্থবছরের গড় মূল্যস্ফীতিও কমেছে। একই সঙ্গে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে সরকার।
তাঁর মতে, আসন্ন রোজার কারণে মূল্যস্ফীতি হার মে মাসের তুলনায় জুন মাসে বেড়েছে। তবে চলতি জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে মূল্যস্ফীতি সূচক নিম্নমুখী হয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন ভিত্তিবছর অনুসারে জুন মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্টে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ০৫ শতাংশ। মে মাসে এ হার ছিল ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ। একই সময়ে (জুনে) খাদ্য উপখাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। মে মাসে এ হার ছিল ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ। জুন মাসে খাদ্যবহির্ভূত উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এর আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

শেয়ার করুন