চট্টগ্রামে ফিরলেন হোপের ৫ নাবিক

0
76
Print Friendly, PDF & Email

চট্টগ্রামে জাহাজ মালিকদের পিঅ্যান্ডআই ক্লাবের প্রতিনিধি ইন্টারপোর্ট মেরিটাইম লিমিটেডের মহিউদ্দিন আবদুল কাদের বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, পাঁচ নাবিককে নিয়ে এমভি বাক্সমুন নামের একটি জার্মান জাহাজ রোববার রাত পৌনে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরের ‘ব্রাভো’ অ্যাংকরেজে নোঙ্গর করে। সেখানেই রাত কাটানোর পর সোমবার সকালে একটি লাইটার জাহাজে করে তারা পতেঙ্গার ১৫ নম্বর ঘাটে নামেন।  

কাত হয়ে সাগরে ডুবতে থাকা এমভি হোপ। ছবি: থাই রয়্যাল নেভি
কাত হয়ে সাগরে ডুবতে থাকা এমভি হোপ। ছবি: থাই রয়্যাল নেভি
এই পাঁচজন হলেন- জাহাজের ডেক ক্যাডেট মোখলেছুর রহমান, চতুর্থ ইঞ্জিনিয়ার আবদুল হাকিম, মোহাম্মদ রুবেল, মোহাম্মদ ওসমান ও সাইফুল ইসলাম।

গত বৃহস্পতিবার ভোরে উত্তার সাগরে প্রবল বাতাসে কাত হয়ে ডুবতে বসে সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল ‘বল ক্লে’ বহনকারী বাংলাদেশি জাহাজ এমভি হোপ। প্রাণ বাঁচাতে জাহাজের ১৭ নাবিকের মধ্যে কয়েকজন লাইফ বোট নিয়ে সাগরে ভেসে পড়েন। বাকিরা লাইফ জ্যাকেট নিয়েই সাগরে ঝাঁপ দেন।

থাই রয়্যাল নেভির হেলিকপ্টার বৃহস্পতিবার আবু বকর সিদ্দিক নামের এক ডেক ক্যাডেটকে সাগর থেকে উদ্ধার করে ফুকেটের একটি হাসপাতালে পাঠায়। আর লাইফ বোট থেকে পাঁচজনকে উদ্ধার করে বাক্সমুন।

উদ্ধার অভিযানের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার আরও তিনজনকে সাগর থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। আর দুজনের লাশ উদ্ধার করেন বাক্সমুনের নাবিকরা। পরে দুজনের মরদেহ থাই নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শুক্রবার উদ্ধার পাওয়া হোপের দ্বিতীয় কর্মকর্তা মোবারক হোসাইন, ডেক ক্যাডেট রায়েক ফাইরুজ, ইঞ্জিন ক্যাডেট মুশফিকুর রহমানকেও হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাদেরও শিগগিরই দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

জাহাজের প্রধান কর্মকর্তা মাহবুব মোর্শেদ ও প্রধান প্রিকৌশলী কাজী সাইফুদ্দিনের মরদেহও খাইল্যান্ডে রয়েছে।

আবদুল কাদের জানান, আন্দামান সাগরে নিখোঁজ ছয় নাবিকের খোঁজে স্বজনদের অনুরোধে রোববারও উদ্ধার অভিযান চালান থাই নৌবাহিনীর সদস্যরা। তবে নতুন করে কাউকে উদ্ধারের খবর দিতে পারেননি তারা। 

শেয়ার করুন