খাওয়া থেকে অসুস্থতা এবং বিজ্ঞান

0
93
Print Friendly, PDF & Email

 এখন গরমকাল। এ সময় খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার বেশি ঝুঁকি থাকে। তাই এড়িয়ে চলতে হবে খোলা বাসি খাবার। এ ধরনের খাবারের পাশাপাশি জীবাণুঘটিত বিজ্ঞানের ভাষায় যাকে বলে রাসায়নিক কারণে ফুড পয়জনিং হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রথমেই হয় বমি বমি ভাব। কখনো বমি হয়ে যায়। ডায়রিয়া কিংবা আমাশয়ও হয়। পায়খানার সঙ্গে রক্তও যেতে পারে। সঙ্গে থাকে প্রচণ্ড পেটব্যথা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ ফুড পয়জনিং এড়াতে যেসব সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

? প্রাণীর উৎস থেকে পাওয়া খাবারগুলো অর্থাৎ মাংস, দুধ, ডিম ভালোভাবে রান্না করে খেতে হবে।
? বাজার থেকে প্যাকেটজাত খাবার কেনার সময় মেয়াদের তারিখ দেখে নিন।
? রাস্তার ধারের কোনো ফলের রস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
? তরকারি কাটার সময় হাত ও তরকারি কাটার জন্য ব্যবহৃত দা, বঁটি কিংবা ছুরি সাবান-পানিতে ধুয়ে নিন।
? খাদ্যদ্রব্য খোলা না রেখে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে।
? রাস্তার পাশের খোলা খাবার খাওয়া যাবে না একদমই।
? দীর্ঘ সংরক্ষণে বাসি হয়ে যাওয়া খাবার খাওয়া যাবে না।
? সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার সময় ভালো করে সেদ্ধ হয়েছে কি না, দেখে নিন।
ফুড পয়জনিংয়ের অসুস্থতা অনেক সময় গুরুতর আকার ধারণ করে। তখন দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে কিংবা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে। এই লক্ষণগুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে রোগীর অবস্থা গুরুতর
? যদি বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া দুই দিনের বেশি স্থায়ী হয়।
? যদি ফুড পয়জনিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তির বয়স তিন বছরের কম হয়।
? প্রচণ্ড পেটব্যথার সঙ্গে জ্বর থাকে।
? একই খাবার খেয়ে একসঙ্গে অনেকে অসুস্থ হয়ে গেলে।
? ফুড পয়জনিংয়ে পেট ফুলে গেলে।
? আবার যদি অন্যান্য উপসর্গের সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হয় রোগীর।
এসব ক্ষেত্রে পরামর্শ নিতে হবে চিকিৎসকের। সে অনুযায়ী ব্যবস্থাও নিতে হবে দ্রুত।

শেয়ার করুন