হাতিয়ায় জোয়ার ও ভারী বর্ষণে ৩০ গ্রাম প্লাবিত

0
200
Print Friendly, PDF & Email

সাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে গত ৩ দিনের বৈরী আবহাওয়া প্রচণ্ড বাতাস, ভারী বর্ষণ ও ভরা পুর্নিমার জোয়ারের পানিতে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার উড়িরচর,

ঢালচর, নিঝুমদ্বীপ, নলচিরা, সুখচর, তমরদ্দি, নঙ্গলিয়া, নলেরচর ও কেয়ারিংচর এলাকাসহ প্রায় ৩০ টি গ্রাম ৫ থেকে ৭ ফুট জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে

পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে এসব এলাকার প্রায় ২০ হাজার মানুষ। জোয়ারে বেশ কিছু গরু-মহিষ। বন্ধ রয়েছে দ্বীপের সম্পূর্ণ নৌ যোগাযোগ।

বুধবার দুপুরে সরজমিন দেখা গেছে ঢারচর, উড়িরচর, নলেরচর, সুখচর, নলচিরা, নিঝুমদ্বীপের বন্দরটিলা, নামারবাজার, ছোঁয়াখালী, মোক্তারিয়াঘাট ও বদুয়ালো গ্রাম

এলাকায় ৫ থেকে ৭ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ সময় কৃষকের গৃহপালিত বেশ কিছু গরু-মহিষ ভেসে গেছে। তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর ফসলের জমি।

পানি বন্ধি হয়ে রয়েছে ২০ থেকে ২২ হাজার মানুষ।

সুখচর এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে ওই ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম। গত সোমবার জোয়ারের পানিতে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ দিয়ে

প্রতিদিন পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হয় ওই এলাকা। এতে পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে ইউনিয়নটির কয়েক হাজার মানুষ। জরুরি ভিত্তিতে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধটি মেরামত

না করায় প্রতিদিন জোয়ারের পানিতে দুর্বিষহ দিনাতিপাত করছেন স্থানীয়রা।
চরঈশ্বর ইউনিয়নের একাধিক পানিবন্ধি মানুষ জানান, চরঈশ্বর ইউনিয়নের কালামিয়া মাঝি গ্রাম থেকে শুরু করে পণ্ডিত গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ যে

কোন মুহুর্তে ভেঙে প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নিঝুমদ্বীপ ইউপি সদস্য শাহেদ উদ্দিন ও আব্দুল হাইসহ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রবল বর্ষণ ও ভরা পূর্নিমার জোয়ারে অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। দ্বীপে

বেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিদিন জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় পুরো ইউনিয়নটি। দ্বীপবাসীর এমন কষ্ট দেখেও যেন দেখছেনা কেউ।
নলচিরা এলাকায় ফরাজি গ্রাম, ষ্টিমারঘাট, বৌ বাজার, তমরদ্দি ইউনিয়নের বেজুগালিয়া গ্রাম, আঠার বেকী, পশ্চিম ক্ষিরোদিয়া, পশ্চিম জোড়খালী, কোরালিয়া এলাকা ও

সুখচরের কামাল বাজার, রামচরন এলাকায় ৫ থেকে ৭ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। নাম প্রকাশে অনিশ্চুক অনেকে জানান, বেড়িবাঁধ না থাকার কারণেই এসব

ইউনিয়নের এমন ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।

অপরদিকে, নঙ্গলিয়ার চর, নলেরচর, ঢালচর, ক্যারিংচর, চরবাশার, জাহাজ্জারচর ও উডিরচরের নিম্নাঞ্চলগুলোও প্লাবিত হয়েছে।
এ ছাড়া গত ৩ দিন বৈরী আবহাওয়া, প্রচণ্ড বৃষ্টি, পুর্নিমার প্রভাবে দমকা বাতাসের কারণে ২টি সি-ট্রাকসহ সকল নৌ যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে চরম ঝূঁকি নিয়ে

যাত্রীরা নৌকা যোগে উত্তাল সাগর পারাপার হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে অসাধু ঘাট ব্যবসায়ীরা নদীতে নৌকা যোগে যাত্রী

পরাপার করছেন।

এবিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহিদূর রহমান জানান, ‘অতিরিক্ত জোয়ারের কারণে ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধ মেরামত করা যাচ্ছে না। আকাশ কিছুটা

পারিস্কার হলে বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করা হবে। তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণের জন্য জেলা প্রশাসকের পক্

শেয়ার করুন