ককটেল ও বোমাকে তারা ‘আলু’ হিসেবে আখ্যা দেয়

0
104
Print Friendly, PDF & Email

হরতালসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরিত ককটেল ও অন্যান্য বোমাকে বিস্ফোরণকারীরা ‘আলু’ বলে সম্বোধন করেন। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপির বাসভবনে ককটেল নিক্ষেপকারী আটক আকিল ও মাহবুব মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে একথা বলেন।

মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, গোয়েন্দা তৎপরতা, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা ও গ্রেফতারকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, ককটেল ও বোমাকে তারা ‘আলু’ হিসেবে আখ্যা দেয়।

আর এ ‘আলু’ শব্দের উৎপত্তি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা কলেজ, তেজগাঁও কলেজ, কবি নজরুল কলেজ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফজলে রাব্বি হল থেকে।

পুলিশ আরও জানায়, পুরান ঢাকা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফজলে রাব্বি হল থেকে উপাদান (বোমা ও ককটেল তৈরির) সংগ্রহ করে ওইসব কলেজের হলে ‘আলু’ তৈরির কাজ চলে।

আর হিমেল নামে ছাত্রদলের আরেক সদস্য হাইকমান্ডের নির্দেশে চাহিদা মতো ‘আলু’ সরবরাহ করেন।

আটককৃত মাহবুব তিতুমীর কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শিক্ষার্থী আর আকিল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এআইইউবিতে এমবিএ করছেন।

জিজ্ঞাসাবাদে তিতুমীর কলেজের মাহবুব পুলিশকে জানান, ছাত্রদলের হাইকমান্ডের নির্দেশে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের দিয়ে ‘আলু’ (ককটেল) বিস্ফোরণের কাজ চালানো হয়। শুধু তাই নয়, এ বিস্ফোরণ কাজের সঙ্গে জড়িত সবাইকেই পদোন্নতি দেওয়ারও প্রলোভন দেখানো হয়।

আর এ হাইকমান্ডাররা হলেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সিনিয়র সহ সভাপতি শরিফ উদ্দিন জুয়েল।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ নানা ধরনের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে ‘আলু’র রহস্য উদঘাটন করে। পরে আসামিরাও এ ছদ্মনামের কথা স্বীকার করেন।

শেয়ার করুন