বিদেশি শক্তিকে খুশি করতেই সন্ত্রাস বিরোধী আইনে সংশোধন: রফিকুল ইসলাম

0
56
Print Friendly, PDF & Email

বিদেশী শক্তিকে খুশি করার জন্য তড়িঘড়ি করে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের সংশোধনী পাশ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবিধানিক অধিকার ফোরাম আয়োজিত  সন্ত্রাস দমন আইন সংশোধনের জন অধিকার সংরক্ষণের সহায়ক নয় শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, মানবাধিকার ও আইনের শাসন ব্যাত্যয় ঘটানোর অনেক কিছুই এই সংশোধনীতে অন্তর ভুক্ত করা হয়েছে, যা সংভিদানের পরিপন্থি। এই আইন বিদেশী বন্ধুদের সন্তুষ্ট করার নিমিত্তে তড়িঘড়ি করে সংসদে পাশ করা হয়েছে।

সংবিধানে সন্ত্রাস বিরোধী আইন সম্পৃক্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনের শাসন, গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকার এবং চিন্তা- চেতনার ওপর আঘাত করার জন্য এই আইন প্রনয়ন করা হয়েছে।

মূলত বিরোধী দলের ওপর আঘাত করার জন্য সরকার সন্ত্রাস বিরোধী আইন করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক দুর্নীতিবাজ দেশ হিসাবে অখ্যা দিয়ে বাংলাদেশকে সনদপত্র দিয়েছে। সরকার তাদের অপকর্ম ঢাকতে তত্ত্বাবধায়ক বাতিল করে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী এতদিন বলেছিলেন তত্ত্বাবধায়ক এলে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অ্যাকশন নেবে। তিনি বলেন, কিন্তু এখন বলছেন খালেদা জিয়ার সাথে সাথে তাকেও গ্রেপ্তার করা হবে।

রফিকুল প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যত মামলা হবে আপনার বিরুদ্ধে হবে, খালেদা জিয়ার কিছু হবে না।

সন্ত্রাস বিরোধী আইনের সংশোধণী সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, এই আইনের ২১ ধায়ার প্রচলিত স্বাক্ষ আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং এতে পুলিশের ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।

পাশাপাশি তিনি বলেন এই সংশোধনী মাধ্যমে সংবিধানের ৩৬ ও ৪৩ ধায়ার জনগণের অধিকারকে খর্ব করা হয়েছে।

সাবেক সচিব সৈয়দ মারগুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন এনডিপির চেয়ারম্যান গোলম মোর্তুজ্জা, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম, বিএনপির সহ-স্বেচ্ছা সেবক বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সংগঠনের সদস্য সচিব সুরঞ্জন ঘোষ প্রমুখ।

শেয়ার করুন