উন্মুক্ত স্থানে সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবে না

0
86
Print Friendly, PDF & Email

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, উন্মুক্ত স্থানে কোনো রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবে না।

মঙ্গলবার বিকেলে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে নবম জাতীয় সংসদের সপ্তম অধিবেশন শুরু হয়। স্পিকার প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করে দিনের অন্যান্য কার্যসূচিতে যাওয়ার প্রাক্কালে বিরোধী দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিফ হুইপ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে তাদের সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি অভিযোগ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে এ অভিমত ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, অফিসের ভেতরে এবং দেয়াল ঘেরা মিলনায়তনে প্রচলিত আইন ও বিধি মেনে সভা-সমাবেশের অনুমতি চাইলে তা বিবেচনা করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর আগেও শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশের অনুমতি নিয়ে পরিবহনে আগুন, জ্বালাও পোড়াও করে জনগণের জানমালের সম্পদ ক্ষতি করা হয়েছে। সরকার থেকে এসব ক্ষতিপূরণের বিবেচনা করা হচ্ছে। তাই অতীতে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে এখন কোনো উন্মুক্ত স্থানে সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবে না।

এ্যানী তার বক্তব্যে বলেন, রোববার বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে সভা-সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আমরা আবেদন করেছিলাম। কিন্তু অনুমতি পাইনি।  আজ মঙ্গলবার পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছি। তাতেও কোনো সাড়া পাইনি। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বুধবার সমাবেশ করতে চেয়ে এ আবেদন করেছিলাম। এমনকি আমরা দলীয় কার্যালয়ের বাইরে মুক্তাঙ্গন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সভা-সমাবেশের অনুমতি চাইলেও তাতে সম্মতি দেননি পুলিশ কমিশনার।

তিনি বলেন, সংসদীয় কমিটিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে শর্ত-সাপেক্ষে সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবে। তিনি বলেন, সভা-সমাবেশের অনুমতি না দিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হয়, তাহলে আমরা হরতালসহ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। এর জন্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে। আমি এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শেয়ার করুন