মিলনায়তনে সমাবেশ করার প্রস্তাব ইতিবাচক হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0
54
Print Friendly, PDF & Email

বিএনপির উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, তারা যদি তাদের অফিস, দেয়ালঘেরা জায়গা, মিলনায়তনে সমাবেশ করার প্রস্তাব দেয়, তবে তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত প্রধান হুইপ শহীদ উদ্দীন চৌধুরীর বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন। তবে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া উপস্থিত ছিলেন না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগেই বলা হয়েছিল, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করার প্রতিশ্রুতি দিলে তার অনুমতি দেওয়া হবে। এর আগেও শর্ত ভেঙে সমাবেশ করা হয়েছে। পরিবেশ বিনষ্ট করা হয়েছে। তিনি বলেন, যেখানে সমাবেশ করার অনুমতি চাওয়া হয়েছে, সেখানে সমাবেশ করা হলে যানজটের সৃষ্টি হয়।
মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকারের নামে জনগণের জানমালের ক্ষতি করা হলে তার ক্ষতিপূরণ আদায়ের চিন্তা করা হচ্ছে।
এর আগে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী ৩৭ অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে পয়েন্ট অব অর্ডারে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই সংসদে বলেছেন, সভা-সমাবেশের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। কিন্তু গত পরশু বিএনপির কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ করার অনুমতি চাওয়া হলে আজ পুলিশ কমিশনার বলেছেন, ওপরের নিষেধ আছে।’ তিনি বলেন, ‘যদি যানজটের কথা ওঠে, তাহলে দরকার হলে তাঁদের পল্টন, মুক্তাঙ্গন বা সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ করতে দেওয়া হোক।’ তিনি এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। শহীদ উদ্দীন বলেন, যদি এভাবে চলতে থাকে, তবে তাঁদের কঠিন ও কঠোর এমনকি হরতালের মতো কর্মসূচি দিতে হবে।
সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদে নিরস্ত্র অবস্থায় সভা-সমাবেশ করার অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন