ব্যাংকিং খাতে কিছু কিছু অসুবিধা রয়েছে: অর্থমন্ত্রী

0
123
Print Friendly, PDF & Email

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন,  ব্যাংকিং খাত শক্তিশালী হলেও কিছু কিছু অসুবিধা রয়েছে। সেই অসুবিধা কাটিয়ে উঠতে আমরা সচেষ্ট রয়েছি।

রোববার রাতে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ১৫তম বছর পদার্পণ উপলক্ষে গুনীজন সম্মাননা-২০১৩ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই শক্তিশালী খাত আমাদের দেশের উন্নয়নে অনবদ্য অবদান রেখে যাচ্ছে। এই অবদান আরো বৃহত করার বিষয়ে আমরা সবাই সচেষ্ট।

তিনি আরও বলেন, মরহুম জলিল ভাই ব্যাংকটি অত্যন্ত যত্নের সাথে পরাচালনা করেছিলো । তিনি সিএসআর কার্যত্রম যেমনি করেছিলো বর্তমান কর্তৃপক্ষ সে ধারাবাহিকতা অব্যহত রেখেছে বলে সত্যিই অমি আনন্দিত।

২০০২ থেকে ব্যাংকটি প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সম্মাননা দিয়েছে। দেশের ৯জন গুণীব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেওয়া হয়। ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত আব্দুল জলিলকে স্মরনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ১৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে মনোনীত গুণীজনদের হাতে সম্মননা তুলে দেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

চেয়ারম্যান এম আমানউল্লাহ বলেন, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ১৯৯৯ সালের ২ জুন তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে ব্যাংকটির মোট ৮৬টি শাখা রয়েছে। গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ। ব্যাংকিং কার্যক্রমে নানাবিধ উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে মার্কেন্টাইল ব্যাংক অর্থনীতিতে নিজের অবস্থানকে সুসংহত করেছে। তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাংক হয়েও প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্যাংকের সাথে প্রতিডোগীতা করে টিকে আছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এম এহসানুল হক।

সম্মাননা পেলেন যারা: শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রাখায় সম্মননা পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. এএম হারুন অর রশীদ। চিকিৎসা ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরো সার্জারি বিভাগের এমিরেটাস অধ্যাপক রশিদ উদ্দিন আহমেদ সম্মাননা পান। সংষ্কৃতিতে সম্মাননা পান বিশিষ্ঠ নজরুল সঙ্গীত শিল্পি ফিরোজা বেগম, তিনি অসুস্থ থাকায় তার পক্ষে সম্মাননা নেন তার পুত্র হামিম আহমেদ। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখায় (মরণোত্তর) মরহুম হুমায়ূন আহমেদ, তাঁর পক্ষে স্ত্রীর হাতে সম্মননা পদক গ্রহণ করেন মেহের আফরোজ শাওন। শিল্প ও বাণিজ্যে অবদান রাখায় ওপেক্স অ্যান্ড সিনহা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা আনিসুর রহমান সিনহা। সাংবাদিকতায় ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম। ক্রিড়া ক্ষেত্রে এভারেস্ট জয়ী নিশাত মজুমদার। কৃষি বিষয়ক গবেষণা ও উন্নয়ন চাপাই নবাবগঞ্জের বৃক্ষ প্রেমিক কার্তিক চন্দ্র প্রামানিক। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদান রাখায় ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষে সম্মননা গ্রহণ করেন এর মহাপরিচালক ড. সাইদুল ইসলাম। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণায়  ৪ নম্বর সেক্টরের অন্যতম সংগঠক লে. কর্ণেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীক। 

সম্মননা হিসেবে তাদেরকে স্বর্ণপদক ও এক লাখ টাকার চেক দেওয়া হয়। এ সময় ব্যাংকটির পরিচালক ও উদ্যোক্তা পরিচালকসহ ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন