তত্ত্বাবধায়ক সরকারে আবারো প্রধানমন্ত্রীর “না”

0
147
Print Friendly, PDF & Email

তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালে আবারো না বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বৃহস্পতিবার গণভবনে মাদারীপুরের আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা  বলেন।
তিনি বলেন, “আগামীতে যে ইলেকশন করবো, অন্তত বাংলাদেশের ডেমোক্রেটিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য।”
বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন হবে বলেও জানান তিনি।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনের ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বিলুপ্ত হওয়ায় এখন আর অনির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন হওয়ার সুযোগ নেই বলে দাবি করেন তিনি।
“কোনো না কোনো জায়গা থেকে তো শুরু করতে হবে,”
শেখ হাসিনা তার প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক বক্তৃতায় বলে আসছেন, অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়। বাংলাদেশেও সেভাবে নির্বাচন হবে।
তিনি বলেন, “একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যেন অব্যাহত থাকে- সেটা শুরু করতে হবে। সেখানে অনির্বাচিত কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে এসে কোনো লাভ হবে না।”
বর্তমান সরকারের সময়ে জাতীয় সংসদের উপ-নির্বাচন থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকার পর্যায়ের নির্বাচনগুলোর কথাও উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ওই নির্বাচনগুলো নিয়ে কোনো অভিযোগ কেউ উত্থাপন করতে পারেনি।
বিএনপিকে সংসদে যোগ দিতে ‍পুনরায় আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীদলীয় নেতাকে বলবো, সংসদে আসেন। সংসদে না আসলে তো উপায় নেই, না আসলে সিট হারাবেন। উনি ভালো করেই জানেন, সিট হারালে কী হয়?”
আগামী নির্বাচন নিয়ে দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের বিপরীত অবস্থানে দেশে রাজনৈতিক সঙ্কটের আশঙ্কার মধ্যে বিভিন্ন মহলে থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নানা প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে।
এর সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, “এখনো অনেকে আছেন- যারা কথা বলেন। এদের আবার অনেকেই উপদেষ্টা ছিলেন।”
১/১১ পূর্ববর্তী রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই ব্যর্থ লোকদের কাছ থেকে এখন সবক নিতে হবে?
সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ ছাড়াও মাদারীপুরের সংসদ সদস্য নৌ-পরিবহণমন্ত্রী শাহজাহান খান এবং আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন