শর্ত ভঙ্গ করায় তারেকের বিচার হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

0
65
Print Friendly, PDF & Email

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড.মহিউদ্দিন খান আলমগীর বলেছেন, ‘তারেক রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মুচলেকা দিয়ে বিদেশে গিয়েছিলেন। কিন্তু বিদেশে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে তিনি মুচলেকার শর্ত ভঙ্গ করেছেন। মুচলেকার শর্ত ভঙ্গের জন্য তারেক রহমানকে দেশের মাটিতে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে।’ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরীতে নতুন চারটি থানার কার্যক্রমের উদ্বোধন  শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রকে হত্যা করার পাঁয়তারা চলছে। ধর্ম আর  মৌলবাদের  মোড়কে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা হচ্ছে। এ মুহুর্তে সবার উচিৎ এ দুরভিসন্ধি সম্পর্কে সচেতন  থেকে  শেখ হাসিনাকে সমর্থন করা। ধর্মের  মোড়কে থাকা  স্বৈরতন্ত্রকে রুখতে হলে হাসিনাকে সমর্থন করা ছাড়া  কোন বিকল্প  নেই।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে জেলে যাবার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের হাতে  গ্রেপ্তার হয়ে  জেলে যাবার অভিজ্ঞতা আমার আছে। সুতরাং পুলিশের হাতে নির্যাতনের  যেসব কথা বলা হয়,  সেসবের কিছু অভিজ্ঞতা অন্য অনেক রাজনৈতিক নেতার মত আমারও আছে। কিন্তু আমি  যে সময়ের কথা বলছি তখন ক্ষমতায় কারা ছিল ? একটি অগণতান্ত্রিক  স্বৈরাচারী সরকারের পুলিশ বাহিনী তখন  যে আচরণ করেছে তার  থেকে বর্তমান  গ্রেক্ষাপট ভিন্ন।’ তিনি বলেন, ‘একটি গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে, যদি  সেই শাসন ব্যবস্থা গণতান্দ্রিক  নেতৃত্বে পরিচালিত হয় তাহলে  সেই সরকারের অধীনে থাকা পুলিশ বাহিনী কখনও অত্যাচারের ধারক, বাহক হতে পারেনা। গণতন্ত্র অক্ষুন্ন থাকলে পুলিশ বাহিনী জনগণের কল্যাণে আরও বিস্তৃতভাবে কাজ করার সুযোগ পায়।’
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র অক্ষুন্ন রাখতে হলে হাসিনাকে সমর্থনের  কোন বিকল্প  নেই। আর গণতন্ত্র অক্ষুন্ন থাকলেই আমরা একটি মানবিক অপরাধ শূন্য  দেশ গঠন করতে পারব।’ চট্টগ্রামকে শূন্য অপরাধসম্বলিত এলাকা করার জন্য নতুন চারটি থানা করা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।

নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনের শ্যূটিং ক্লাবে  উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশে নগর পুলিশ কমিশনার  মো.শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা.আফছারুল আমিন, উত্তর  জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার  মোশাররফ  হোসেন, সাবেক  মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন  চৌধুরী, জাসদ  কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভাপতি সাংসদ মাঈনুদ্দিন খান বাদল, সাংসদ এবিএম আবুল কাশেম মাষ্টার, সাংসদ এম এ লতিফ, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অপরাধ ও অভিযান) একেএম শহীদুল হক, চট্টগ্রাম  রেঞ্জের ডিআইজি নওশের আলী এবং দক্ষিণ  জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি  মোছলেম উদ্দিন আহমেদ।  নগরীতে নতুনভাবে কার্যক্রম শুরু করা চার থানা হচ্ছে, আকবর শাহ, সদরঘাট, চকবাজার এবং ইপিজেড থানা। 

শেয়ার করুন