সিরিয়ায় রুশ অস্ত্র সরবরাহে ইসরায়েলের হুঁশিয়ারি

0
61
Print Friendly, PDF & Email

গৃহযুদ্ধ কবলিত সিরিয়ায় সরবরাহকৃত অত্যাধুনিক রুশ অস্ত্রশস্ত্র শেষ পর্যন্ত ভুল হাতে যেয়ে পড়ে ইহুদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবহƒত হতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছে ইসরায়েল। রয়টার্স

শনিবার ইসরায়েলি বিচারমন্ত্রী টিজিপি লিভিনিসহ দেশটির কর্মকর্তারা এসব হুঁশিয়ারি জানান। সম্প্রতি রাশিয়া তার মধ্যপ্রাচ্য মিত্র সিরিয়াকে অত্যাধুনিক জাহাজ-বিধ্বংসী ইয়াখোন্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহƒত এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়েছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় অত্যাধুনিক এসব রুশ অস্ত্র সরবরাহের নিন্দা জানায়। এবার এসব অস্ত্রের বিষয়ে ইসরায়েলও তার উদ্বেগ প্রকাশ করলো। ইসরায়েলি সেনা রেডিওতে বিচারমন্ত্রী লিভিনি বলেন, ‘অস্ত্রগুলো সিরিয়ার বা লেবাননের অন্যদের হাতে চলে যেয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবহƒত হতে পারে।’ ‘এগুলো শুধু অস্ত্র নয়, এগুলো পরিস্থিতি পাল্টে দেওয়ার মতো জিনিস, তাই এ বিষয়ে বিশ্ব শক্তিগুলোর একটি দায়িত্ব রয়েছে, বিশেষ করে রাশিয়ার, আর তা হচ্ছে অস্ত্র সরবরাহ না করা।’ ইসরায়েলের নিজের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলে এ সময় তিনি উল্লেখ করেন।

জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা আমোস গিলাদ দেশটির চ্যানেল টু টেলিভিশনের ‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানে বলেন, এস-৩০০ এবং ইয়োখান্ত শেষ পর্যন্ত হিজবুল্লাহর হাতে যেয়ে পড়তে পারে, আর তাতে ইসরায়েল ও উপসাগরে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীও হুমকির মুখে পড়বে। তিনি বলেন, ‘যদি হেজবুল্লাহ ও ইরান সিরিয়ার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখে আসাদের শাসন ধরে রাখতে পারে, তাহলে সিরিয়া কেন এসব অস্ত্র হেজবুল্লার কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না? এটা বুঝার জন্য গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই, সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানেই এটা বুঝা যায় তারা এটা করবে।’ এর আগে শুক্রবার ইসরায়েল রেডিওর কাছে করা মন্তব্যে গিলাদ বলেছিলেন, “আপনি যদি রুশদের জিজ্ঞেস করেন, এই অস্ত্রগুলো যদি হেজবুল্লাহর কাছে হস্তান্তর করা হয়, তারা বলবে : ‘না, রুশ আইন এটি অনুমোদন করে না।’ কিন্তু এটি নিশ্চিত নয় যে রাশিয়ার আইন এমন কিছু যাকে তারা শ্রদ্ধা করে। তাই হেজবুল্লাহ এগুলোর দিকে হাত বাড়াতে পারে, আর তা হবে।” যদিও সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে কোন পক্ষ নেওয়া থেকে ইসরায়েল বিরত রয়েছে, তবে পশ্চিমা ও ইসরায়েলি সূত্রগুলো জানিয়েছে, হেজবুল্লাহর উদ্দেশ্যে অস্ত্রের চালান পাঠানো হচ্ছে এমন ধারণা থেকে সিরিয়ায় আকাশ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এই তথ্য ইসরায়েল স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটাই করেনি।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরাতে গত দুই বছর ধরে চলা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত অন্তত ৮০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং প্রায় ১৫ লাখ মানুষ শরণার্থী হিসেবে পাশ্ববর্তী দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে।গৃহযুদ্ধ কবলিত সিরিয়ায় সরবরাহকৃত অত্যাধুনিক রুশ অস্ত্রশস্ত্র শেষ পর্যন্ত ভুল হাতে যেয়ে পড়ে ইহুদি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ব্যবহƒত হতে পারে বলে হুঁশিয়ার করেছে ইসরায়েল। রয়টার্স

শনিবার ইসরায়েলি বিচারমন্ত্রী টিজিপি লিভিনিসহ দেশটির কর্মকর্তারা এসব হুঁশিয়ারি জানান। সম্প্রতি রাশিয়া তার মধ্যপ্রাচ্য মিত্র সিরিয়াকে অত্যাধুনিক জাহাজ-বিধ্বংসী ইয়াখোন্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষায় ব্যবহƒত এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়েছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় অত্যাধুনিক এসব রুশ অস্ত্র সরবরাহের নিন্দা জানায়। এবার এসব অস্ত্রের বিষয়ে ইসরায়েলও তার উদ্বেগ প্রকাশ করলো। ইসরায়েলি সেনা রেডিওতে বিচারমন্ত্রী লিভিনি বলেন, ‘অস্ত্রগুলো সিরিয়ার বা লেবাননের অন্যদের হাতে চলে যেয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবহƒত হতে পারে।’ ‘এগুলো শুধু অস্ত্র নয়, এগুলো পরিস্থিতি পাল্টে দেওয়ার মতো জিনিস, তাই এ বিষয়ে বিশ্ব শক্তিগুলোর একটি দায়িত্ব রয়েছে, বিশেষ করে রাশিয়ার, আর তা হচ্ছে অস্ত্র সরবরাহ না করা।’ ইসরায়েলের নিজের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে বলে এ সময় তিনি উল্লেখ করেন।

জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা আমোস গিলাদ দেশটির চ্যানেল টু টেলিভিশনের ‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানে বলেন, এস-৩০০ এবং ইয়োখান্ত শেষ পর্যন্ত হিজবুল্লাহর হাতে যেয়ে পড়তে পারে, আর তাতে ইসরায়েল ও উপসাগরে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীও হুমকির মুখে পড়বে। তিনি বলেন, ‘যদি হেজবুল্লাহ ও ইরান সিরিয়ার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখে আসাদের শাসন ধরে রাখতে পারে, তাহলে সিরিয়া কেন এসব অস্ত্র হেজবুল্লার কাছে হস্তান্তর করতে পারবে না? এটা বুঝার জন্য গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই, সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানেই এটা বুঝা যায় তারা এটা করবে।’ এর আগে শুক্রবার ইসরায়েল রেডিওর কাছে করা মন্তব্যে গিলাদ বলেছিলেন, “আপনি যদি রুশদের জিজ্ঞেস করেন, এই অস্ত্রগুলো যদি হেজবুল্লাহর কাছে হস্তান্তর করা হয়, তারা বলবে : ‘না, রুশ আইন এটি অনুমোদন করে না।’ কিন্তু এটি নিশ্চিত নয় যে রাশিয়ার আইন এমন কিছু যাকে তারা শ্রদ্ধা করে। তাই হেজবুল্লাহ এগুলোর দিকে হাত বাড়াতে পারে, আর তা হবে।” যদিও সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে কোন পক্ষ নেওয়া থেকে ইসরায়েল বিরত রয়েছে, তবে পশ্চিমা ও ইসরায়েলি সূত্রগুলো জানিয়েছে, হেজবুল্লাহর উদ্দেশ্যে অস্ত্রের চালান পাঠানো হচ্ছে এমন ধারণা থেকে সিরিয়ায় আকাশ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এই তথ্য ইসরায়েল স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটাই করেনি।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরাতে গত দুই বছর ধরে চলা সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত অন্তত ৮০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং প্রায় ১৫ লাখ মানুষ শরণার্থী হিসেবে পাশ্ববর্তী দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে।

শেয়ার করুন