পার্থকে নিয়ে বিপাকে শেখ পরিবার

0
81
Print Friendly, PDF & Email

আঠারোদলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে বিপাকে শেখ পরিবার। প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দিনের মেয়ের জামাই পার্থ। কোনো কিছুতেই বাগে আনতে পারছেন না তাকে। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য হয়েও হরহামেশাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের মুখোরোচক সমালোচনা করে যাচ্ছেন তিনি।

ভোলা সদরের সাংসদ আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে আওয়ামীলীগে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে।প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে তাঁর বক্তব্য ভাল ভাবে নিচ্ছেন না সরকারের নীতি নির্ধারকরা।শেখ হেলাল কেন পার্থ কে বোঝাতে পারেন না তা নিয়েও নানা কথা আছে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে। শুধু তিনিই নন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম পার্থর মামা। ভাগ্নের কারণে বিব্রত কর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় তাকেও। খালাতো ভাই জাতীয় সংসদের হুইপ নূর-ই-আলম লিটন চৌধুরী ও এর বাইরে নয়।তিনি ও সমালোচকের দায় এড়াতে পাড়েন না সহজে। খালু আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী।মামাতো ভাই ফজলে নূর তাপস ও এ নিয়ে আন্দালিব রহমান পার্থের সঙ্গে কথা বলেছেন।

পার্থর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, কদিন আগে বিজেপি নেতার বাসায় আওয়ামী লীগে তার ঘনিষ্ঠরা এ নিয়ে বৈঠকও করেন। তারা পার্থকে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনের পক্ষে বক্তৃতা-বিবৃতি থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেন। এরপর থেকে অনেকটা গা ঢাকা দিয়ে আছেন বিজেপি চেয়ারম্যান।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য আন্দালিব রহমান পার্থর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

গত নির্বাচনে আওয়ামীলীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে হারিয়ে ভোলা সদরের এমপি হন পার্থ। বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর হাত ধরেই রাজনীতিতে আসা পার্থর। সাবেক মন্ত্রী নাজিউরের জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে এলাকায় নিজের অবস্থান তৈরি করে ফেলেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলালের মেয়ে শেখ সায়রা রহমানকে বিয়ে করেছেন তিনি। এই দম্পতির দুই কন্যা মাহাম সানজিদা রহমান এবং দিনাবিনতে আন্দালিব।

ঢাকায় সেন্টযোসেফ ও ল্যাবরেটরি স্কুলে পড়া লেখা করেছেন পার্থ। লন্ডনে রলিং কনসইন থেকে ১৯৯৭ সালে সম্পন্ন করেন বার-অ্যাট-ল। ইংল্যান্ডের উল্ভার হ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলেন পার্থ। টিউশন নিয়েছেন হল্বর্ন কলেজ থেকে। তিনি লিংকন সইনের মেম্বার। দেশে ফিরে চার বছর কাজ করেন প্রখ্যাত আইনজীবী রফিক-উল হকের সঙ্গে।

শেয়ার করুন