বর্ণালী কবিতার জনক লতিফ মাহমুদ

0
226
Print Friendly, PDF & Email

 

 

 

 

 

লতিফ মাহমুদ কবিতা রচনা করেন। রচিত কবিতার নাম বর্ণালী। ধারনা করা হয়যে তার আগে কোন লেখক, কবি এ পদ্ধতিতে, বিধি, বিধানমতে কবিতা রচনা করেননি। এমনকি তার লেখার ধরন এখন পর্যন্ত অন্য কেউ রচনার কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। তাই তিনি বর্ণালী কবিতার জনক।

 

সংক্ষেপে বর্ণালী কবিতা হলো-প্রথম লাইনে, প্রথম শব্দে, প্রথম বর্ণ স্বরবর্ণ অ-আছে এমন শব্দ, দ্বিতীয় লাইনে প্রথম শব্দে, প্রথম বর্ণ স্বরবর্ণ আ-আছে এমন শব্দ একইভাবে  প্রথম লাইনে প্রথম শব্দে, প্রথম বর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ ক- আছে এমন শব্দ, দ্বিতীয় লাইনে প্রথম শব্দে, প্রথম বর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ খ-আছে এমন শব্দ ক্রমান্বয়ে ব্যবহার করে রচিত কবিতার নাম বর্ণালী।

 

বর্ণালী কবিতার প্রকারভেদ

 

বর্ণালী কবিতা ৩ প্রকার- (১) স্বর্ণা (২) বর্ণা ও (৩) শ্রাবণী।

 

(১) স্বরবর্ণর্র্ (অ) শব্দের প্রথম ব্যবহার করে যেমন-অ-দিয়ে অপকটে/ আ- দিয়ে- আদর্শ/ ই- দিয়ে-ইন্দ্রিয়/ ঈ- দিয়ে ঈশ্বর/ উ-দিয়ে উত্তম/ উ-দিয়ে উর্বরা শব্দ তৈরি করে লেখা বর্ণালী কবিতার নাম স্বর্ণা।

 

(২) ব্যঞ্জন বর্ণ (ক) শব্দের প্রথম ব্যবহার করে যেমন-ক-দিয়ে কানাকুয়া/ খ- খুঁজে/ গ- গয়না/ ঘ-দিয়ে ঘোড়া/ চ- দিয়ে চলন শব্দ তৈরি করে লেখা বর্ণালী কবিতার নাম বর্ণা।

 

(৩) স্বর বর্ণ (অ) ও ব্যঞ্জন বর্ণ (ক) মোট ২ প্রকার বর্ণ/ অক্ষর দিয়ে বর্ণের ক্রম ঠিক রেখে শব্দ তৈরি করে লেখা বর্ণালী কবিতার নাম শ্রাবণী।

 

বর্ণালী বান্ধব বর্ণের কথা

 

বর্ণালী কবিতা রচনায় ১১টি স্বর বর্ণ অ-– আ- ই-ঈ- উ-উ- ঋ- এ- ঐ- ও-  ঔ ও ২৮টি ব্যঞ্জন বর্ণ  ক- খ- গ- ঘ- চ- ছ- জ- ঝ- ট- ঠ- ড- ঢ- ত- থ- দ- ন- প- ফ-ব- ভ- ম- য- র- ল- শ- ষ- স- হ বর্ণের ক্রমানুযায়ী কবিতার প্রতিটি লাইনের প্রথম শব্দ তৈরির সময় প্রথমে ব্যবহার করা হবে। এসব অক্ষর/ বর্ণকে বলা হবে ’বর্ণালী বান্ধব বর্ণ’।

 

বান্ধব সহযোগী বর্ণ গুলোর কথা

 

ঙ-,&-ঞ-,-ড়-,-ঢ়-,-য়-,-ৎ-,-ং-,-ঃ- ও  ঁ -মোট ৯টি বর্ণ/চিহ্ন রয়েছে যা শব্দের আদিতে ব্যবহার করে শব্দ তৈরি করা যায়না আবার এ সব বর্ণ চিহ্ন ছাড়া শব্দ তৈরি করা যায়না।

 

 

 বর্ণালী  কবিতায় ঐ ৯টি বর্ণ/চিহ্ন শব্দের প্রথমে ব্যবহার করে কোন শব্দ তৈরি করে বর্ণালী কবিতা রচনা করা হবেনা। কারন এসব বর্ণ/চিহ্ন প্রথমে আছে এমন শব্দ নেই বললেই চলে। এসব অক্ষর/বর্ণকে বলা হবে

 

বান্ধব সহযোগী বর্ণ।

 

বান্ধব সহযোগী বর্ণ মাথা কাটা ব, ক্ষ ও ণ এর কথা

 

২০০৩ শিক্ষা বর্ষ থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেনীর বাংলা বইয়ে ব্যঞ্জন বর্ণের ৫ম লাইনে ইতিপূর্বের- প, ফ, ব, ভ, ম -বর্ণের লাইনের পর -য, র, ল, ব, শ দেওয়া হয়েছে। এখানে ব এর মাত্রা নেই যাকে শিক্ষকরা মাত্রা বিহিন-ব- আর শিক্ষার্থীরা মাথা কাটা ব নামে পড়ছে যা ইতি পূর্বে দেখা যায়নি। মাদারাসা শিক্ষা বোর্ড ও বেসরকারী সংগঠন ব্রাকের প্রাথমিক শিক্ষা বইয়ে মাথা কাটা ব ও ক্ষ নামে কোন বর্ণ নেই।

 

মদন মোহন তর্কালংকার রচিত শিশু শিক্ষা বইয়ে ক্ষ বর্ণ টি আমরা পড়েছি । এখন বর্ণ টির ব্যবহার আছে কিন্তু বর্ণমালার জায়গায় একসাথে নেই।

 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেনীর বইয়ে ১ ও ১৭ পাতায় স্বর বর্ণ ও ব্যঞ্জন বর্ণ রয়েছে । ৫৩ পাতায় ক্ষ (যুক্ত খ) পরিচিতিতে বলা হয়েছে ক্ষ এ্কটি মজার বর্ণ । নাম খিয়ো। ক্ষ এর মধ্যে দুটি বর্ণ আছে। ক+ষ =ক্ষ।

 

ক্ষ বর্ণটি টি স্বর বর্ণ ও ব্যঞ্জন বর্ণের মধ্যে নেই। পরিচিতিতে ক্ষ আছে। বর্ণালী কবিতা লিখতে গিয়ে ক্ষ কে কোন বর্ণের পরে স্থান দেওয়া হবে। ক্ষ এর পরিচিতি ও ব্যবহারও আছে সেহেতু ক্ষ থাকবে। ঙ-&,&-ঞ-,-ড়-,-ঢ়-,-য়-,-ৎ-,-ং-,-ঃ- ও-ঁ- বর্ণের পরে ক্ষ ১০ নম্বরে থাকবে। এই ১০টি বর্ণ শব্দের প্রথম ব্যবহার করে শব্দ তৈরি করে বর্ণালী কবিতা রচনা করা হবেনা। মাত্রা বিহিন ব- দিয়েও শব্দ তৈরি করে বর্ণালী কবিতা রচনা  করা হবেনা। ণ দিয়ে অর্থপূর্ন শব্দ নেই বললেই চলে। সুতারাং ণ দিয়ে শব্দ তৈরি করে বর্ণালী কবিতা রচনা  করা হবেনা।

 

স্বর বর্ণের পর ব্যঞ্জন বর্ণের ব্যবহার

 

আমাদের মহান মাতৃভাষা বাংলায় বর্ণ ২ প্রকার। প্রথম স্বর বর্ণ, তারপর ব্যঞ্জন বর্ণ । বর্ণালী কবিতা লিখতে স্বর বর্ণ দিয়ে শুরু করলে স্বর বর্ণ শেষ করে তারপর ব্যঞ্জন বর্ণে যেতে হবে। ব্যঞ্জন বর্ণ দিয়ে শব্দের প্রথমে রেখে শব্দ তৈরি করে কবিতা লিখতে শুরু করে স্বর বর্ণে আসা যাবেনা। বর্ণের অবস্থান ক্রম ঠিক রেখে কবিতা রচনা করা হবে।

 

কবিতার ধরন/ প্রকার নির্ধারন প্রসংগ

 

(ক) বর্ণালী কবিতা লেখার ভাব বা ভাবনা শুরুর পর ধরন/ প্রকার  নির্ধারন করতে হবে। অর্থাৎ কোন শ্রেনীর  বর্ণালী লেখা হবে।

 

কবিতার বিষয় বস্ত্ত

 

 

 

 

 

(১) স্বর্ণার মাধ্যমে কবিতা লেখা হলে তা হবে ১১ লাইনের। (২) বর্ণার মাধ্যমে কবিতা লেখা হলে তা হবে ২৮ লাইনের। (৩) শ্রাবণীর মাধ্যমে কবিতা লেখা হলে তা হবে  স্বর বর্ণ দিয়ে ১১ লাইনও ব্যঞ্জন বর্ণ দিয়ে ২৮ লাইন মিলিয়ে মোট ৩৯ লাইনের ।

 

এবার  বর্ণালী লেখার বিধি কবিতায় রুপান্তর

 

ক-কবিতার নাম রাখি বর্ণালী,

 

খ-খসড়া করি নিয়ে রঙ তুলি।

 

গ-গর্বীত মায়ের ছেলের রক্তে রাঙা বর্ণমালায়।

 

ঘ-ঘটিলে ঘটন, শব্দে প্রথম, ক্রমান্বয়ে বর্ণের আসন,

 

চ-চয়ন করি স্বর বর্ণে স্বর্ণা, ব্যঞ্জনে বর্ণা,

 

ছ-ছাউনিতে মানা ব্যঞ্জন হতে স্বর বর্ণে গমন ।

 

জ-জীয়ন্তে ঙ,& ঞ,ণ,ড়, ঢ়, য়,ৎ,ং,ঃ, ঁ নেই শব্দে প্রথম,

 

ঝ-ঝোটন, লোটন বান্ধব করে রাখব আজনম।

 

ট-টকটকে স্বর ও ব্যঞ্জন বণে,র্ রচিব শ্রাবণী নামে।

 

ঠ-ঠাট করি পরিপাটি।

 

ড-ডাগর নয়না, ডানা কাটা পরী,

 

ঢ-ঢল যৌবনা করে রচিব বর্ণালী।

 

স্বর বর্ণ শব্দের প্রথম ব্যবহার করে

 

 ১১ লাইনের বর্ণালী- স্বর্ণা

 

অ-অল্পে তুষ্ট, কর্মে সুষ্ঠ,

 

আ-আদর্শ-রাগ, অনুরাগপুষ্ট।

 

ই-ইতিবৃত্ত মুখস্থ আম জনতার,

 

ঈ-ঈশ্বর ভীরু, নয় কারো গুরু,

 

উ-উগ্রমূর্তি হয়না কভূ।

 

উ-উর্বর মস্তিস্ক,

 

ঋ-ঋষিতুল্য স্বভাব, প্রশ্নের জবাব,

 

এ-এক কথায় দেয় সবারে।

 

ঐ-ঐকান্তিক আগ্রহে হালফিল শুনে,

 

ও-ওষ্ঠের হাসি, মিলায়না ক্ষনে।

 

ঔ-ঔপপত্তিকভাবে, রাজনীতিবিদ গুনে।

 

এবার ব্যঞ্জন বর্ণ শব্দের প্রথম ব্যবহার করে ৩৯ লাইনের বর্ণালী- শ্রাবণী

 

কবিতার নাম-

 

বিল দেখত চলন

 

অ-অনাবিল পদ্মার জলে, চলনের চলন,

 

আ-আয়তনে সমুদ্র, গতিতে নদী,

 

ই-ইন্দিরা রুপে, বয়ে যায় নিরবধি।

 

  ঈ-ঈশানের আত্রাই, গুড়নই ধারায়,

 

উ-উত্তর দক্ষিনে, বেড়ে যায় সীমা।

 

উ-উর্মীর নাচন, আছে সারা ক্ষন,

 

ঋ-ঋষি বলে শস্য ভান্ডার, মৎসআশ্রম।

 

এ-এঁটেল মাটির, গড়া ঘর বাড়ী,

 

ঐ-ঐ উদয়-অস্ত, তারা সারি সারি।

 

ও-ওখানে বসবাস, নির্মল নিঃশ্বাস,

 

ঔ-ঔষধ-পথ্য, একটু দুস্প্রাপ্য।

 

ক-কৈ, শিং, পাখি, তিল, এই নিয়ে চলন বিল।

 

খ-খাবারের খোঁজে করি, ইরি বোরো চাষ,

 

গ-গুলতি, বন্দুক, বিষে, শেষ পাখীর আবাস।

 

ঘ-ঘাসী দেওয়ানের মাজার, চলন বিলে,

 

চ-চলে শিরনী-মানত, চৈতি চাঁদে মেলা,

 

ছ-ছোটে হিন্দু-মুসলমান, ধর্ম, বর্ণ ভুলে।

 

জ-জলা জলে জড়াজড়ি, চলনের জীবন,

 

ঝ-ঝরা-খরা, নিত্য সাথী, রাস্তা ছাড়া হাটন,

 

ট-টুসকরে ঠাস করে, চোর ডাকাতের দল।

 

ঠ-ঠুটো হয়ে গোনে ক্ষন, চলনীর স্বপন।

 

ড-ডাঁস চোষে গরু, মোষ, মানুষের রক্ত,

 

ঢ-ঢেউয়ে ভাংগে ঘরবাড়ী, হই উদবাস্ত। 

 

বর্ণালী কবিতার জনক

 

 লতিফ মাহমুদ

 

ত-তেড়ি হয়ে নেড়ী ঝড়, খেতে চায় গিলে।

 

থ-থর থর কাঁপে বুক, বিল পার হতে,

 

দ-দয়াবানের দয়া মাংগি, বর্ষার রাতে।

 

 ন-নয় গাঁয়ে যত চাষী, ধান পেতে মুঠি মুঠি,

 

প-পানি পেতে ধান ক্ষেতে, চৈত্র-বৈশাখে,

 

ফ-ফেলে মাটি পুঁতে খুটি, দিয়ে আরও বেড়া,

 

ব-বাঁধে বাঁধ গুড়নইএ, চলনের চাষীরা।

 

ভ-ভরা ক্ষেত ডুবে যায়, আটকায় দম,

 

ম-মল্ল­ার রনা যেন সাক্ষাৎ যম,

 

য-যায় ভেসে জলা দিয়ে কত ধান গম।

 

 

 

র-রক্ষক রাখিছে চলন বিলে তেল গ্যাস,

 

ল-লক্ষ্যচ্যূত পেট্রোবাংলা করেনা বিশ্বাস,

 

শ-শহরবাড়ীর স্মৃতি অম্ল­ান, ফেলি নিশ্বাস।

 

ষ-ষোল কলা সাড়া মানে, চলনের উন্নয়ন,

 

স-সহজ যাতায়াতে, পাকা রাস্তা প্রয়োজন।

 

হ-হাসি মাখা মুখে কর, সেই আয়োজন।

 

লতিফ মাহমুদ বর্ণালী কবিতা রচনার পাশাপাশি গান রচনা করেন। ২০০৫ সালের ২১শে মার্চ আধুনিক গানের গীতিকার হিসেবে বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভূক্ত হন।

 

তিনি আধুনিক ও পল্লীগীতি গান রচনার পাশাপাশি দেশাত্ববোধক, আঞ্চলিক ভাষায় গান, মুর্শীদি, মারফতি, ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি গান রচনা করেন।

 

তার লেখা উল্লেখযোগ্য বইগুলো হলো- চলনবিলের চন্দনা, কলমের কাঞ্চন, সিংড়ার সন্দেশ, মাহমুদ গীতি, মাহমুদ মঞ্জরী, জন্ম পঞ্জিকা বিদ্যা।

 

লতিফ মাহমুদ ১৯৮৪ সালে সাংবাদিকতা পেশায় আসেন। বিগত দিনে তিনি স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পাত্রকার জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

বর্তমানে তিনি দৈনিক জনকন্ঠের নাটোর জেলা বিজ্ঞান বুথ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি সমাজসেবা মূলক কর্মকান্ডের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত, রেখেছেন।

 

শিক্ষা বিস্তারে  কালিনগর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, স্বাস্থ্য সেবায় কমিউনিটি ক্লিনিক, কৃষিক্ষেত্রে চলনবিলে আমন ফসল ফলানোর জন্যে মল্লার রনায় বাঁধ, রাবার ড্যাম, যোগাযোগক্ষেত্রে কালিনগর গ্রামে রাস্তা নির্মানে, ধর্মীয় ক্ষেত্রে কালিনগর পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ নির্মানে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন।

 

প্রাণী সম্পদ উন্নয়নে ও নিরোগভাবে বেড়ে উঠা ব্যাপারে নিজ উদ্যোগে ভ্যাকসিন সংগ্রহ করে বিনামূল্যে কখনো সল্প মূল্যে পুশ করে দেওয়ার কাজে অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন।

 

বিগত দিনে ও অদ্যবধি সকল জাতীয় সমস্যা উত্তরণে বা জনসচেতনতা গড়ে তোলার জন্যে

 

স্লোগান, দেওয়াল লিখন ও গান রচনা করে লিফলেট আকারে জনগনের মাঝে বিতরণ করে থাকেন।

 

 

তিনি পরিবার পরিকল্পনা উদ্ধুব্ধকরণে জন্ম পঞ্জিকা বিদ্যার জনক। ছেলে-মেয়ে দুটোই চাই, কারও হচ্ছে, কারও হচ্ছেনা। না হওয়ার কারনে দম্পতি সন্তান সংখ্যা বাড়িয়ে চলেছেন। ছেলে ও মেয়ে দুটোই হবে কিন্তু কি ভাবে সম্ভব। প্রাকৃত রীতিতে দম্পতির সন্তান জন্ম দান সামর্থ্য বাবা মা, দাদা-দাদী, নানা- নানীর মতো। তার গুলো তাদের মতো হয়েছে, হবে। আকাংখিত সন্তান না পাওয়ার পেছনে প্রাকৃতিক নিয়মের বদলে আনিয়মের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে।জন্ম পঞ্জিকার তথ্য থেকে মিশা তত্ব মতে, অনিয়ম করলে কাংখিত সন্তান হচ্ছেনা। নিজের মান, বাবা মা’র, পুর্ব পুরুষ বা বাবা মা’র মতো কেন হলো আর হলোনা বিষয়ে তথ্য থেকে তত্ব ও তত্বে বাস্তবের সাথে মিলে যায়। তথ্যের মিল বা প্রাকৃতিক নিয়ম, জন্ম কুন্ডলি, সার্কেল অব বার্থ, সার্কেল অব সেক্স এ্যাবিলিটিই হলো-জন্ম পঞ্জিকা বিদ্যা-দি বার্থ ক্যালেন্ডারলজি।তথ্য থেকে তত্বটি যে সব দম্পতি আকাংখিত সন্তান পেতে একের এক সন্তান জন্ম দিচ্ছে তাদের জন্মদান সামর্থ্য, পূর্ব পুরষের সামর্থ্য জানিয়ে পরিবার পরিকল্পনা গ্রহনে উদ্বুদ্ধকরণই জন্ম পঞ্জিকা বিদ্যার মূল ভাবনা।

সুখী সমৃদ্ধ দেশ গড়তে, পরিবার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জন্ম পঞ্জিকা বিদ্যার বিকল্প নেই।লতিফ মাহমুদ ১৯৬১ সালের ১৫ই জুন নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার ৫নং চামারী ইউনিয়নের বিলদহর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতার নাম মোঃ আব্দুল আজিজ, মাতার নাম ছহিফা খাতুন। আজিজ-ছহিফা দম্পতির সন্তানদের মধ্যে তিনি জ্যেষ্ঠ্য।

 

শেষ ইচ্ছে জন্ম পঞ্জিকা বিদ্যা, বর্ণালী কবিতা, মাহমুদ গীতি চর্চার জন্যে মাহমুদ বিদ্যানিকেতন গড়ে তোলা।  

 

 

 

শেয়ার করুন