আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: গত প্রায় চার বছর ধরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার। তবে অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে পারে। কেননা ইসরায়েলিদের মান ভাঙাতে এখন নতুন পথ ধরেছেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে ওবামা আগামী সপ্তাহে প্রথম ইসরায়েল সফরে যাচ্ছেন। তিনি নিশ্চিতভাবেই নেতানিয়াহুসহ ঊর্ধ্বতন অনেক নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সফরকালে তিনি ইসরায়েলি জনগণকে আবার আশ্বস্ত করে বলবেন, তিনি তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ; তাদের স্বার্থের বিষয়টি তাঁর হূদয়ে প্রোথিত আছে। ওবামা আশা করছেন, তাঁর উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে এই কৌশল ভালোই কাজে দেবে। তাঁর এই সফরে ডানপন্থী নেতানিয়াহুকে ইরানের সঙ্গে একটা শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে রাজি করানোর চেষ্টা করবেন। এর মাধ্যমে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠাও সম্ভব হবে বলে বিশ্বাস মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
অবশ্য, এই কাজ করা এতটা সহজ হবে না। কারণ, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ইসরায়েলিরা ওবামাকে যে সন্দেহের চোখে দেখছে, তা কীভাবে কাটাবেন—সেই চ্যালেঞ্জও রয়েছে। ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করতে নেতানিয়াহুর ওপর ওবামার চাপ এবং ঘোরশত্রু ইরানের ব্যাপারে তাঁর অবস্থানই ইসরায়েলিদের এই সন্দেহের প্রধান কারণ।
ওবামার সাবেক উপদেষ্টা ডেনিস রস বলছেন, ‘ইসরায়েল যাওয়া ছাড়া ওবামার সামনে কোনো বিকল্প নেই। ইসরায়েলের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে এটা একটা সুযোগ। তবে সংযোগ কেটে যাওয়ারও একটা ঝুঁকি আছে।কারণ, অনেক ইসরায়েলি কয়েকটি বিষয়ে ওবামার কাছ থেকে শক্ত প্রতিশ্রুতি চাইবে।এর মধ্যে সবচেয়ে বড় হলো, ইরানকে পারমাণবিক বোমা তৈরি থেকে নিবৃত্ত করতে সামরিক শক্তি প্রয়োগ। তবে ওবামা চান, কূটনৈতিক সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেই কেবল সামরিক পদক্ষেপের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
১৫ মার্চ/নিউজরুম









